শনিবার, ৩১ অক্টোবার ২০২০   Saturday, 31 October 2020.  



 অর্থনীতি


আমাদের প্রতিদিন

 Aug-17-2020 04:04:42 PM


 

No image


>> মনিটরিংয়ে নামছে ভোক্তা অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঈদের পর বাজার কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করে বাজারে চাল ও সবজির মূল্য বেড়েছে। তবে ডিমের মূল্য স্বাভাবিক থাকলেও বয়লার মুরগীর মূল্য কমেছে। সবজির বাজারের মূল্য বৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে, বাজারের অস্বাভাবিক দরপতনে মাঠে নামছে ভোক্তা অধিদপ্তর।

সরেজমিনে বিভিন্ন বাজারের ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,  বিভিন্ন এলাকায় বেশী সময় ধরে বন্যার কারণে সারাদেশে সবজির উৎপাদন কমে গেছে। যার প্রভাবে বাজারে কিছুটা দাম বেড়েছে। গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বিক্রি হওয়া আলু, পটল, বেগুন, বরবটি, ঢেঁড়স, ঝিঙ্গা, করলা, পেঁপেসহ প্রায় সব ধরণের সবজির মূল্য বড়েছে।

নগরীর সিটি বাজার, স্টেশন বাজার, মাহিগঞ্জ, লালবাগ, সাতমাথা, সিও বাজার,  মর্ডাণ মোড়সহ বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্ষার কারণে মান ও বাজার ভেদে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বরবটির কেজি ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গাঁ ৪৫ টাকা, পটল  ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কচুর মূখি ৫০ টাকা, কাকরোল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, দুধকুষি ৮০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হচেছ। সবচির সাথে মূল্য বেড়েছে কাচা মরিচের। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ২০০ টাকা ও পিঁয়াজ প্রতি কেজি ২৫ টাকা।

এছাড়াও গুরুর গোস্ত ৫৮০ টাকা ও খাসির গোস্ত ৮ শত টাকায় কেজি বিক্রি হচেছে। অপর দিকে কয়েকদিন আগে বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মূরগীর দাম কমে ১শত টাকা থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচেছে।  অপরদিকে ঈদের পর থেকে বাজারে ডিমের মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে। ঈদের পর থেকে ১শত ডিম ৮শ টাকায় কিনে ৩৪ টাকা হালিতে বিক্রি হচেছে।

সিটি বাজারের চাল ব্যবসায়ী গুলসান আহমেদ ও হাজী বেলাল হোসেন বলেন, বাজারে মোটা চাল আসছে কম। বর্তমানে হাইবীড ও গুটি স্বর্ণা ২ হাজার টাকা বস্তায় বিক্রি হচ্ছে। তবে এখন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে চিকন চালের মধ্যে বিআর ২৮ (৫০ কেজি) ২ হাজার ৪শ টাকা, বিআর ২৯ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২শ টাকা,  কাটারীভোগ ২৫ থেকে ২ হাজার ৬ শ ও নাজিরশাইল ২ হাজার ৮শ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে বস্তা প্রতি মূল্য কিছুটা কম ছিল। এখন বেড়েছে। আসলে বন্যার কারণে চাল সরবরাহ কমে গেছে।

সবজি ব্যবসায়ী শকিল ও ওয়ারেজ মিয়া বলেন, কয়েকদিন ধরে সবজির দাম বাড়তি ছিল। এখন বেশীরভাগ সবজির মৌসুম শেষ। কাজেই সহসা সবজির দাম কমার সম্ভবনা খুব কম। করোনা ভাইরাস প্রার্দূভাবের শুরু দিকে সবজির দাম অনেকটা কম ছিল। তাছাড়া এখন বর্ষা ও বন্যার সময়। সব সবজির পচনটা তাড়াতাড়ি হয।

কয়েকজন ক্রেতা বলেন, আসলে সব কিছু কন্টোলের বাহিরে রয়েছে। করোনার সময়ে হাতের অবস্থাও ভালো নয়। এর সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বাড়ছে। আমরা সাধারণ জনগণের নাভিম্বাস উঠার উপত্রম। সরকারের যারা নীতিনির্ধারক রয়েছে তাদের একটু খেয়াল রাখা দরকার। তাহলে সাধারণ জনগণ ও নি¤œ আয়ের মানুষেরা কিছু উপকৃত হবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর রংপুরের সহকারি পরিচালক আফসান পারভীন বলেন, আমার বাজার মুল্য বৃদ্ধিও সাথে সাথে অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে ব্যবসায়ীদের সর্তক করা ছাড়াও জরিমানা করা হয়। হঠাৎ করে সবজির মূল্য বৃদ্ধির খবর আমরা পেয়েছি।  দ্রæত বাজার মনিটরিংয়ে আমরা মাঠে নামব।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com