মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বার ২০২০   Tuesday, 1 December 2020.  



 অর্থনীতি


আমাদের প্রতিদিন

 Oct-20-2020 09:27:50 PM


 

No image


নিজস্ব প্রতিবেদক:

হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার পর কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না আলুর বাজারের দামের গতি। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা রংপুরে স্মরণকালে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে গত বছর। তারপরও বেশি দামে কিনতে ভোক্তারা যখন নাকাল, তখন সব মহলের আঙুল মজুতদারদের দিকে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রকারভেদে ৩৮, ৪২ ও ৪৬ টাকার কমে আলু উঠছে না ভোক্তাদের ব্যাগে। আর দাম বাড়ার জন্য পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা।

এক পাইকারি বিক্রেতা জানান, আগে ৫০ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৪৫ টাকা করেছি। সরকার ৩০ টাকা করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের কিনতে হচ্ছে ৪০ টাকা কীভাবে সম্ভব। 

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সবশেষ তথ্য মতে, রংপুরের ৪০টি হিমাগারে বীজ ও খাবার আলুসহ মজুত আছে ১ লাখ ৬ হাজার টন। তারপরও দামের ঊর্ধ্বগতির জন্য মুনাফাখোর মজুতদারদের দায়ী করছেন কৃষক নেতারা।

জাতীয় কৃষক সমিতি রংপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, আলু কতক্ষণ রাখা যাবে তার একটা নিয়ম রয়েছে। এর সূত্র ধরে প্রশাসন যদি কোলস্টোরেজে মনিটরিং করে তাহলে আলু দাম কমে আসবে।

হিমাগার মালিকরা দাম বৃদ্ধির জন্য গত বছর কম উৎপাদন হওয়াকে দায়ী করলেও কৃষি বিভাগ বলছে, স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে গত বছর।

রংপুর চেম্বার অব কমার্সের হিমাগার মালিক ও সভাপতির মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু বলেন, এখন যে আলু রয়েছে। তার অধিকাংশই বীজ আলু। এ জন্যই আলু দাম বাড়ছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপপরিচালক ড. সরওয়ারুল হক বলেন, ২০১৯-২০ মৌসুমে রংপুর জেলায় ২৬ দশমিক ৪০ টন আলু উৎপাদন হয়েছে।

হিমাগার পর্যায়ে ২৩, পাইকারি ২৫ এবং খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩০ টাকা নির্ধারণ করে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com