শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বার ২০২২   Friday, 30 September 2022.  



 আন্তর্জাতিক


আমাদের প্রতিদিন

 Mar-23-2021 05:41:51 PM


 

No image


ঢাকা অফিস:

২০২০ সালের গান্ধী শান্তি পুরস্কারের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করল ভারত সরকার। নয়াদিল্লিতে সোমবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে দুদিনের ঢাকা সফরে আসার দুদিন আগে ভারতের তরফে এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন দিল্লির রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে এই সম্মানের ঘোষণা আরও আনন্দের।

তবে ২০১৯ সালের গান্ধী পুরস্কারের জন্য ওমানের প্রয়াত সুলতান কাবুস বিন সায়েদ আল সায়েদের নাম ঘোষণা করেছে ভারতের মোদি সরকার।

গান্ধী শান্তি পুরস্কারের বিচারকমণ্ডলীর প্রধান হলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনিই বাংলাদেশের জাতির পিতার প্রতি ভারতের এই সম্মান প্রদর্শনের প্রস্তাব দেন।

ভারত সরকারের তরফে বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার দাবি আদায়ে বঙ্গবন্ধু একজন চ্যাম্পিয়ন। ভারতীয়দের কাছেও তিনি একজন বীর।

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে, তার অনুপ্রেরণায় দুই দেশের সম্পর্কের শেকড় আজ অনেক গভীরে পৌঁছে গেছে। তার নীতির পথ ধরেই গত কয়েক দশকে আমাদের দুই দেশের অংশীদারিত্ব যৌথ উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির এক মজবুত ভিত্তিতে পৌঁছেছে।

ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মহাত্মা গান্ধী গোটা বিশ্বকে যে অহিংসার পথ দেখিয়ে  গেছেন, একইভাবে বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তরে অসামান্য অবদানের জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করছে ভারত সরকার।

মহাত্মা গান্ধীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর বছর ১৯৯৫ সাল থেকে ভারত সরকার প্রতি বছর ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার’ দিয়ে আসছে। গান্ধীর অহিংস নীতি পালন এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কারের অর্থমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি রুপি। সঙ্গে দেওয়া হয় সোনার পানি দিয়ে লেখা বিশেষ মানপত্র ও ঐতিহ্যপূর্ণ হস্তশিল্প সামগ্রী।

দক্ষিণ আফ্রিকার নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা, আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, তানজানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস নায়ার অতীতে গান্ধী শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন।

সুইডেন থেকে বেশ কয়েকটি নোবেল পুরস্কার এসেছে ভারতে। এসেছে এই পশ্চিমবঙ্গেও। এবার ভারত সরকারও নোবেল পুরস্কারের সমান মর্যাদার আন্তর্জাতিক সম্মান প্রদান চালু করতে চায়।

বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেই চাওয়াটাই প্রকাশ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে। মোদির ‘আত্মনির্ভর’ ভারত গঠনের চিন্তারই অঙ্গ এই পুরস্কার চালুর ভাবনা।

আর প্রথম ভারতীয় হিসাবে একজন বাঙালি যেহেতু প্রথমবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তাই বাংলার নির্বাচনি ইশতেহারকেই সেই ঘোষণার মঞ্চ বানিয়েছে বিজেপি।

যেটা দিল্লিতে অনেক বেশি আলোকিত মঞ্চ থেকে ঘোষণা করতেই পারতেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বেছে নিলেন বাংলার মাটি। বিজেপির নির্বাচনি ইশতেহার কমিটির এক সদস্যের বক্তব্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে চালু হবে সেই পুরস্কার।

তার জন্য বাংলার থেকে বড় ক্ষেত্র আর কী হতে পারে? আর শুধু রবীন্দ্রনাথ নন, বাংলার মাটির সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন আরও কয়েকজন নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তাই বাংলাই এমন ঘোষণার শ্রেষ্ঠ ভূমি।

শুধু নোবেলের সমমর্যাদার নয় চলচ্চিত্র ক্ষেত্রের সেরা সম্মান ‘অস্কার’-এর মতো পুরস্কারও চালু করতে চায় নরেন্দ্র মোদির সরকার। আর সেই ঘোষণার জন্যও বেছে নেওয়া হয়েছে নীলবাড়ির লড়াইয়ের জন্য তৈরি ইশতেহারকে।

বিজেপির দাবি অনুযায়ী এ ক্ষেত্রেও বাঙালির গর্ব সত্যজিৎ রায়কে সম্মান জানানোই দলের লক্ষ্য। ‘সত্যজিৎ রায় অ্যাওয়ার্ড’ নামে এই সম্মানও হবে আন্তর্জাতিক মানের।

 



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com