রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বার ২০২১   Sunday, 19 September 2021.  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 Sep-14-2021 06:27:11 PM


 

No image


বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

বিরলে আসামী ছিনতাই ও পুলিশকে মারপিটের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা প্রায় অর্ধশত মানুষের নামে আলোচিত মামলায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে প্রায় গোটা কাজিপাড়া গ্রাম। পুরুষদের সাথে অনেক মহিলাও গ্রাম ছেড়েছে। স্কুল কলেজ খুলে দেয়া হলেও অনেক শিক্ষার্থী আসামী থাকার কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না গিয়ে ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এদিকে এমন পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে, মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিরল উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে নির্দোষ এবং পুলিষের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্থ পরিবারগুলোর লোকজনের সাথে কথা বলে নির্ভয় ও ন্যায় বিচারের আশ্বাস প্রদান করেছেন।

তিনি বলেন, আসামী ছিনিয়ে নেয়া ও মারপিটের ঘটনার সাথে জড়িতদের অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইনে বিচার হবে। তবে যারা এঘটনার সাথে জড়িত নয় তাদের যেন কোন প্রকার হয়রানী না করা হয়, আমি এব্যাপারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে অবশ্যই কথা বলবো।

তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যারা পুলিশের এজাহার নামীয় আসামী নন তারা নিজ বাড়িতেই থাকবেন। কোন প্রকার পুলিশি ভয় পাবেন না। আমরা এবিষয়ে উপজেলা পরিষদের আইন শৃংখলা সভায় কথা বলেছি। প্রয়োজনে জেলাতেও কথা বলবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিরল প্রেসক্লাবের সভাপতি এম, এ কুদ্দুস সরকারসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। অপরদিকে, পুলিশের আটককৃত এজাহার নামীয় আসামী আমজাদ হোসেনের ছেলে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী হাফেজ মোঃ  আবু রায়হান স্বপন (১৮) ও মনজুর হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (৫০) গত সোমবার জামিনে মুক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একই মামলায় ১৩ জন আসামী আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন জানালে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাঁদের জেলহাজতে পাঠিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী এড. মাযহারুল ইসলাম সরকার।

উল্লেখ্য, একটি মারামারির ঘটনায় উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির কাজিপাড়া গ্রামের নুরজামাল এর ছেলে মেহেদী হাসান (২২) কে তার নিজ বাড়ি থেকে ৮/৮ নং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ আজাদ মিয়াসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গ্রেফতার করতে গেলে গ্রেফতারকৃত মেহেদীর পরিবারের লোকজন পুলিশকে মারপিট করে মেহেদীকে ছিনিয়ে নেয় বলে বিরল থানার এসআই আজাদ আলী বাদী হয়ে ওই রাতেই বাদী হয়ে কাজীপাড়া গ্রামের ছাত্র, মহিলাসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরোও ২০/২৫ জনকে দেখিয়ে সংশ্লিষ্ঠ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে। এঘটনায় রাতেই পুলিশ ওই গ্রামে তান্ডব চালিয়ে আমজাদ হোসেনের ছেলে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী হাফেজ মোঃ  আবু রায়হান স্বপন এবং  মনজুর হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেফতার করে পরদিন জেল হাজতে প্রেরণ করে। এর পরেই ওই গ্রামটি পুলিশ আতংকে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। অনেক ছাত্র পুলিশের এজাহার নামীয় আসামী এবং ওই মামলায় ২০/২৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামী থাকার কারণে মহিলারাও গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। গ্রামটিতে সব সময় পুলিশ আতংক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com