বুধবার, ২৯ জুন ২০২২   Wednesday, 29 June 2022.  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 May-11-2022 09:51:59 PM


 

No image


দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে লোহার খনির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কূপ খনন কাজের গত শনিবার পর্যন্ত ৪৪ দিন পেরিয়েছে। এর মধ্যে ৯৫৭ ফিট গভীর পর্যন্ত খনন করে হার্ডড্রোক (কঠিন শিলা) পাওয়া শুরু হয়েছে। যা পাওয়া গেছে তা লোহা তৈরির কাঁচামাল।

তবে খনন কাজের দায়িত্বে থাকা ৪১ কর্মকর্তা কর্মচারীর কেউ কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, কোনো তথ্যের দরকার হলে বাংলাদেশ ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরে যোগাযোগ করতে হবে।

গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুল বাকী খান মজলিশ কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করেন।

ভূতাত্বিক জরিপ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের দাবি, নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরিকের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছেন তারা। দিনাজপুর পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামে রাস্তার পাশে ইছামতি নদীর ধার দিয়ে খনিটির অবস্থান চিহ্নিত করেছে ভূতাত্বিক জরিপ অধিদফতর।

সে সময় ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক আলী আকবর বলেন, নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরিকের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছি আমরা।

খনির কূপ খনন কাজের দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের  উপপরিচালক (ড্রিলিং প্রকৌশলী) শহিরুল ইসসলাম।

সে সময় ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুল বাকী খান মজলিশ বলেন, আমাদের বাংলাদেশ খনি সমৃদ্ধ দেশ নয়, এদেশ খনিজ সম্পদের সম্ভাবনাও কম। সম্ভাবনা যাই থাকুক না কেন আমরা আশাবাদী থাকবই। আমাদের ভূতাত্তি¡ক জরিপ অধিদফতরের কাজেই হচ্ছে আশা ও সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করা। তাই শুধু আমাদের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। খনন কাজ শেষ করে আমরা বিস্তারিত বলতে পারব। এর আগে এখানে কী আছে বলা মুশকিল।

তবে কুপ খনন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সংরক্ষিত এলাকার ফাঁকা জায়গায় কুপ খননের সময় পাওয়া হার্ডড্রোক (কঠিন শিলা) একটি লম্বা ট্রেতে করে রোদে শুকানো হচ্ছে। সেই হার্ডড্রোক (কঠিন শিলা) পাওয়ায় এখানে লোহার খনি পাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে।

খনির একটি সূত্রে জানা যায় শনিবার পর্যন্ত ৯৫৭ ফিট গভঅর পর্যন্ত ড্রিলিং করা সম্ভব হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা ড্রিলিং কাজ চলছে। সার্বক্ষণিক চলছে গভীর থেকে উঠে আসা উপাদান গুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা। প্রতিদিন রিপোর্ট করা হচ্ছে প্রধান কার্যালয়ে। এর আগে চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়ন কেশবপুর গ্রামে একটি খনির সন্ধানে ড্রিলিং (খনন)  করা হয়। সেখানে ১৩ ফুট খনন করা হয়ে। কিন্তু এই নতুন কুপে ১৫‘শ থেকে ২ হাজার ফিট পর্যন্ত ড্রিলিং করা হবে। প্রয়োজনে ২ হাজার ৩‘শ ফিট পর্যন্ত ড্রিলিং করা হতে পারে। তবে খনির কুপ খনন সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। তারা রোহার খনির সম্ভাবনা দেখছেন।  

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০২১ সালে ২ এপ্রিল দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার পুনট্টি ইউনিয়ন কেশবপুর গ্রামে একটি খনির সন্ধানে ড্রিলিং (খনন) কার্যক্রম শুরু করা হয়। কার্যক্রম শেষে তা সমাপ্ত করে চলে যান ভূতত্তে¡র কর্মকর্তারা। সেখানে কিছু পাওয়া গেছে কি না তা সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারেনি। এর আগে গত ১৯ সালের ২৬ মে হিলিতে একটি লোহার খনি আবিস্কৃত হয়েছে।


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image

আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com