Sat,20 Jul 2019  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 Jul,19,2019 09:29:13 PM


 
আমাদের প্রতিদিন | রংপুর | A well known rangpur based news paper | rangpur| dhaka| bangladesh

No image

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

তিস্তা নদীর ভাঙন ঠেকাতে মাত্র দুবছর আগে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজরা এলাকায় নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্পারটি ভাঙনের কবলে পড়েছে দুদিন আগে স্পারটির ৩০ মিটার ধসে পড়ে অবস্থায় বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর কাজ চলছে ঢিমেতালে ফলে আশেপাশের গ্রামের মানুষ আছেন ভাঙন আতংকে

উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার তিস্তাসহ ১৬ নদ-নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙন এর মধ্যে তিস্তা নদীর ভাঙনে বজরা স্পারের ৩০ মিটার ধসে পড়েছে প্রায় কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুপাশে জিও টেক্সটাইল বিছিয়ে ø পিচিং এবং ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে নির্মিত ২শ মিটার দৈর্ঘের স্পারটির কাজ শেষ হয়েছে ২০১৭ সালের জুন মাসে

এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্পারের কাজ সঠিক ভাবে না হওয়ায় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এখন স্পারের পূর্বপাড়ের এবং নদী থেকে বালু তুলে জিও ব্যাগ ভর্তি করে ভাঙন ঠেকানোর কাজও চলছে ঢিমেতালে ফলে চর বজরা, চাঁদনী বজরা, মধ্য বজরা, খামার বজরা টারীপাড়া গ্রামের মানুষ ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী বলেন, বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার পর এই বাঁধটা তৈরি করে দেয়া হয়েছিল এখন সে বাঁধটাও ভাঙতে শুরু করেছে

শুষ্ক মৌসুমে স্পারটি মেরামতের জন্য লিখিতভাবে অনুরোধ জানানো হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন বজরা ইউনিয়ন পরিষদ মো. রেজাউল করিম আমিন বাবলু তিনি বলেন, বাঁধের কাজ ঠিকমতো না হওয়ার কারণে এতো তাড়াতাড়ি বাঁধটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে শুরু করে চর বজরা, চাঁদনী বজরা, মধ্য বজরা, খামার বজরাসহ চার-পাঁচটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে

এই পরিস্থিতিতে জরুরি প্রতিরক্ষা কাজ করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম তিনি বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এর মধ্যেই আমরা বালিভর্তি জিও ব্যাগের মাধ্যমে বাঁধের মেরামত কার্যক্রম হাতে নিয়েছি

স্পারটি নির্মাণের আগে তিস্তার ভাঙনে এই এলাকার সাতালস্কর, খামার দামারহাট বগুলাকুড়া- এই ৩টি গ্রাম বিলীন হওয়ায় দেড় হাজারের মতো পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে গৃহহীন হয়েছিল বলে জানান উলিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

 









 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com