সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০   Monday, 24 February 2020.  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 Jan-27-2020 08:19:30 PM


 

No image


কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের বিড়ি শিল্পনগরী হারাগাছে জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত ৭৮ হাজার শলাকা ফ্রেস ব্রান্ডের বিড়ি জব্দ করেছে আরপিএমপি পুলিশ। গত রোববার রাতে কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌর এলাকার হকবাজার গনি মার্কেটে ঢাকাগামী জেকে পরিবহন বাস কাউন্টারের সামন থেকে এসব বিড়ি আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে হারাগাছ পৌর এলাকার দর্জিপাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে ফ্রেস বিড়ি কারখানার মালিক রমজান আলী জিকুর বিরুদ্ধে জাল ব্যান্ডরোল মজুদ ও ব্যবহারের সাথে জড়িত থেকে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসা করার অপরাধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-২৫-এ/২৫-এ(বি) ধারায় মামলা করেছে বলে আরপিএমপি হারাগাছ থানার ওসি তদন্ত মোতালেব হোসেন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট হারাগাছ সার্কেল অফিসের আওতাধীন ফ্রেস বিড়ির মালিক রমজান আলী জিকু কাস্টমস কর্তৃপক্ষের চোঁখকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জাল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে বিড়ি বাজারজাত করে আসছে। বিড়ির প্যাকেটে জাল ব্যান্ডরোল ফ্রেস ব্রান্ডের বিড়ি কারখানার মালিক সরকারি কোষাগারে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছে।

রোববার রাতে জাল ব্যান্ডরোল লাগানো ফ্রেস বিড়ির প্যাকেট বাজারজাতের জন্য পরিবহন করা হচ্ছে। গোয়েন্দার এমন তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তিনিসহ সঙ্গীও ফোর্স অভিযান চালিয়ে ৪৩ হাজার ৬৮০ টাকা মুল্যে নকল ব্যান্ডরোল লাগানো ৭৮ হাজার বিড়ির শলাকা জব্দ করা হয়।

এদিকে পুলিশ ও কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, হারাগাছে জাল ও ল্যুজ ব্যান্ডরোল প্যাকেটে লাগিয়ে প্রতিবছর প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে ছোট-বড় একাধিক বিড়ি কারখানার মালিকরা। এ যেন রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার মহা উৎসব চলছে। আর জাল ও ল্যুজ ব্যান্ডরোলযুক্ত বিভিন্ন ব্যান্ডের বিড়ি রংপুর বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে দেদারচ্ছে।

বেশ কয়েকজন বিড়ি কোম্পানির স্বত্বাধিকারীরা নাম গোপন রাখার শর্তে জানান, কাস্টমসের পরোক্ষ সহযোগিতা ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে হারাগাছে নতুর ছোট বিড়ি ফ্যাক্টরিগুলোতে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার হচ্ছে। ফলে আমরা যারা বড় ব্যবসায়ী সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব দিচ্ছি তারা অসহায় হয়ে পড়েছি। তারা বলেন, নতুর ছোট বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিকরা প্রতিবছর মোটা অংকের কর ফাঁকি দিচ্ছে। নতুন ছোট কারখানাগুলোতে জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার রোধ করতে না পারলে আগামীতে বিড়ি খাত থেকে সরকারের রাজস্ব একেবারে কমে যাবে। এদিকে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি বাড়াতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিড়ি কারখানাগুলোতে ও হাটবাজারে অভিযান চালানোর প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রতিষ্ঠিত বিড়ি কারখানার মালিকরা।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com