মঙ্গলবার, ৯ আগষ্ট ২০২২   Tuesday, 9 August 2022.  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 Jun-24-2022 09:55:12 PM


 

No image


ড. মো. মাহমুদুল আলম

স্রষ্টার এ ধরা শান্তির স্থান। তিনি শান্তি চান। তাঁর সৃষ্টি মানুষ শান্তিতে থাক, সবুজ শ্যামলে নির্মল রবির আলো পড়ুক এটাই তিনি চান। বাতাসে বারুদের গন্ধ, গৃহহীন উদবাস্তুর আর্তনাদ তিনি দেখতে চান না। আজ বিশ্ব অশান্ত, ফোরাত-দজলার দুপাড় পেড়িয়ে কামানের গর্জন এখন কৃষ্ণসাগরের পাড়ে। তার প্রভাব এখন সারাবিশ্বে। গরিবের দ্বার থেকে ধনীর প্রাসাদে। সবখানে আহাকার, বেদনার সুর ডুকরে কাঁদে সবখানে। এসবের পিছে উদ্দেশ্য কী, মানবতা নিয়ে কেন এতো খেলা? তাঁদের অস্ত্র আছে, টাকা আছে, সৈন্য আছে বলে কী? যা ইচ্ছা তাই করে যাবে এ সুন্দর ধরায়। এ সুন্দর ধরিত্রীতে পুষ্পকাননের বদলে ক্যাক্টাসের বাগান কেন তারা গড়ে তুলে? কেন তারা একের পর এক যুদ্ধের দামামা বাজায়? আসলে এ সবের পিছনে তাদের ব্যাবসা, সম্পদ লুট করার চিন্তা। বিষয়টা একটু খোলাসা করে বলা যাক-

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পিছনে যে উদ্দেশ্যটা কাজ করেছিল তা হলো দেশ দখল করে ক্ষমতা দেখানো। যুদ্ধ শেষ হয়। ফলাফলে দেখা যায়, কতিপয় দেশ মোড়ল সাজে। বিশ্বের ভূ-রাজনীতিতে নানা পরিবর্তন আসে। ভাগ হয় অনেক দেশের সীমানা। চারটি স্রাম্রাজ্যজ্যের পতন ঘটে।  রোমানভ স্রাম্রাজ্যজ্য বা রুশ সাস্রাজ্য ১৯১৭ সালে, জার্মান ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় স্রাম্রাজ্যজ্য ১৯১৮ সালে এবং উসমানীয় স্রাম্রাজ্যজ্য ১৯২২ সালে। অস্ট্রিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, এস্তোনিয়া, হাঙ্গেরি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও তুরস্ক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে। উসমানীয় স্রাম্রাজ্যজ্যের অধীনে থাকা অধিকাংশ আরব এলাকা বৃটিশ ও ফরাসি স্রাম্রাজ্যজ্যের অধীনে আসে। ১৯১৭ সালে বলশেভিকরা রাশিয়ার এবং ১৯২২ সালে ফ্যাসিবাদীরা ইতালির ক্ষমতায় আরোহণ করে। বিশ্ব ব্যবস্থা নতুন ধাঁচে চলতে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, জাপানে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণে শেষ হয়। অনেক দেশ হয় খণ্ডবিখণ্ড। বৃটিশের আধিপত্য রাষ্ট্রগুলো স্বাধীন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। গঠিত হয় কমনওয়েল্থ। কোটি কোটি মানুষ দাসে পরিণত হয়। আমেরিকা-সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাশক্তি ও মোড়ল সাজে। জাতিসংঘের অধীন পাঁচটি ভেটো প্রদান দেশের বৈশ্বয়ীক নৈনারাজ্য চলতে থাকে। তাদের স্বার্থে লাগলেই তারা ভেটো প্রদান করে। এ যেন গোপাল ভারের গল্প। কেউ হাসে কেউ কাঁদে।

এ সবের পিছনে তারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ফলে বিশ্ব বিভক্ত হয় আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বলায়ে। শুরু হয় পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের লড়াই। কে কাকে কোণ ঠাঁসা করতে পারে তার লড়াই। তারা একে অপরকে ঘায়েল করার জন্য গঠন করে গোয়েন্দা বাহিনী, সমরজোট, অর্থজোট আরও কত কী। এদের প্রভাবে বিশ্বের অনেক দেশে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চড়াই উতরাই চলতে থাকে। গণতন্ত্রের লেবাসে চলতে থাকে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রের ¯œায়ুযুদ্ধ। কোরিয়া ভাগ হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে প্রকাশ পায় উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া নামে দু’টি আলাদা রাষ্ট্র। আলাদা হয়ে কী তারা সুখে আছে? সেটার বৈরিতা বুঝা যায় মাঝে মাঝে পত্রিকার হেড লাইনে। তারা একে অপরকে আক্রমণের হুঁঙ্কার দেয়। “জন্মই আজন্ম পাপ” তার উত্তম উপমা দুই কোরিয়ার বিভক্তি। এ বিভক্তির মাধ্যমে দেশ দু’টিতে আলাদা আলাদাভাবে ব্যাবসা করছে পুঁজিবাদি ও সমাজতন্ত্রী চক্র। গায়ের ঘাম ঝরায় দু’কোরিয়র মানুষ, মজা লুটে ওরা। জার্মান বিভক্ত হয়, ১৯৬১ সালে নির্মিত বার্লিন প্রাচীর। এভাবে আরও কত ন্যাক্কার জন ঘটনা। বিশ্ব যেন অস্থির, মানবতা যেন মায়ের হারানো ছেলে।

ভিয়েতনামে আমেরিকা কী না খেলা খেলেছে। রাজসিংহাসন থেকে সবখানে তাদের দাপট। সোভিয়েত বলায়ের গা ছমছম করতে থাকে। তারা তৈরী করে গেরিলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত আমেরিকা লেজগুটিয়ে পলায়ন করে। দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা এ দেশের সম্পদ লুটপাট করে। যুদ্ধ শেষে সেখানে দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ। শুরু হয় নানা ব্যাবসা। তাদের ব্যাংক-এনজিও চালাতে থাকে শোষণ। আজও কী ভিয়েতনাম অর্থনীতিতে স্বাবলম্বী হতে পেড়েছে, পারেনি। কারণ, তাদের ব্যাবসা।

ইরাক-ইরান যুদ্ধ, এটা ছিল ভ্রাতৃঘাতি যুদ্ধ। দু’টি মুসলিম দেশকে কীভাবে পঙ্গু করা যায় তার একটা ঘৃণচক্রান্ত। শিয়া-সুন্নী মতবাদের আড়ালে নোংরা অর্থনৈতিকযুদ্ধ। দু’টি দেশ বুঝতে পেরে যুদ্ধের দামামার ইতি টানে। তার কয়েক বছর পর সাদ্দামের মাথায় দেশের সীমানা বৃদ্ধির নেশা চাপে। দখল করে কুয়েত। কুয়েতকে নিজের সীমানায় একত্রিত করে। আসলে কুয়েতের খণিজসম্পদ দখল করাই তার ইচ্ছা। আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে ইরাক কুয়েত থেকে চলে যায়। এবার শুরু হয় ইরাককে শাস্তি দেয়ার পালা। আমেরিকা জোট ধোঁয়াসার উক্তি ছড়িয়ে দেয়। ইরাকের কাছে রাসায়নিক মারণাস্ত্র আছে। সে অস্ত্র বিশ্বের জন্য হুমকি স্বরূপ। সাদ্দামকে সরাতে হবে। যুদ্ধ শুরু হয়। আমেরিকার কাছে সাদ্দাম সরকারের পরাজয় হয়। তারা সাদ্দামকে ফাঁসি দেয়। জাতিসংঘের তদন্তে বলা হলো ইরাকে কোন রাসায়নিক অস্ত্র নেই। বুশ স্বীকার করে ইরাকে হামলা করা ভুল ছিল। সবকিছু তছনছ হওয়ার পর পানি দিয়ে বুক ভিজার গল্প। সবার কাছে স্পষ্ট হয়, এর উদ্দেশ্য ছিল আমেরিকা জোটের তেলসহ খণিজ ও প্রতœতত্ত¡ সম্পদ চুরি করা । যুদ্ধ শেষ হওয়ার অনেক বছর অতিবাহিত হয়েছে। তাদের তেল চুরি করা বন্ধ হয়নি। তারা ইরাকের তেল খনিতে সৈন্য বসায়ে রেখেছে, নিয়ন্ত্রণ করছে তেল শিল্প। যুদ্ধবিধ্বসস্ত ইরাককে পুনর্গঠনের নামে পাচার করে কোটি কোটি ব্যারেল তেল।

পাশের দেশ সিরিয়া, শিয়া মতবাদে বিশ্বাসী সরকার। রাশিয়াকে সমর্থন করে। আমেরিকা জোটের মাথা ব্যথা। কী করে সেখানে তাদের সমর্থনপুষ্ট সরকার বসানো যায়। কীভাবে দেশটাকে শোষণ করা যায়। কীভাবে হাজার হাজার বছরের প্রতœতত্ত¡ নিদর্শন চুরি করা যায়। তেল শূন্য করা যায়। ইরাকের মতো সেখানেও রাসায়নিক মারণাস্ত্রের শ্লোগান দিতে থাকে। শুরু করে যুদ্ধ। এরি মাঝে তারা সৃষ্টি করে আইএসআই নামে নতুন জঙ্গি সংগঠন। তারা ইরাক-সিরিয়ার বিশাল এলাকায় খেলাফত কায়েম করে। শেষে দেখল, এরা তাদের অর্থ শোষণের বিপক্ষে, শিয়া মতবাদের বিরুদ্ধে, নতুন ইসলামী খেলাফত চায়। তখন রাশিয়া-আমেরিকা জোট একসাথে এদের ঘায়েল করে। তাদের এলাকাগুলো নিজেদের দখলে নেয়। এখনও আইএসআই নিপাতের জন্য তারা হামলা করে। এভাবে ইরাক-সিরিয়া ধ্বংস হয়। তারা শোষণ করে তেলশিল্প, চুরি করে প্রতœতত্ত¡

রাশিয়া বলায়ের আরেক দেশ লিবিয়া। গাদ্দাপী দাপটের সাথে দেশ চালায়। তাকে আর ক্ষমতায় রাখা যাবে না। আমেরিকার মাথা ব্যথা। বিভিন্ন অজুহাতে লিবিয়ায় আক্রমণ করে। সুন্দর দেশটিকে তছনছ করে দেয়। গাদ্দাপীকে করে হত্যা। তারা লুটপাট করে সম্পদ। দল-উপদলে ভ্রাতৃ সংঘাতে লিপ্ত হয় দেশের মানুষ। তারা নিজেদের মধ্যে করে যুদ্ধ, আর দখলদাররা করে চুরি। এভাবে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে গোত্রভিত্তিক যুদ্ধ বাধায়ে তারা চুরি করছে হীরা, সোনার মত মূল্যবান সম্পদ। কঙ্গ, ঘানা তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

এবার আসা যাক আফগানিস্তান প্রসঙ্গ। রাশিয়া-আমেরিকার সংঘাত। একবার রাশিয়া দখল করে, আরেকবার আমেরিকা। কীযে হরিলুটের রাজ্য। সেখানেও তাদের দক্ষিণ এশিয়ার সাথে ট্রানজিটের ব্যাবসা। এ ব্যাবসায় আমেরিকা দেখল লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। আল-কায়েদা, তালেবানের দোষ দিয়ে লাভ নেই। গোপনে তালেবানের সাথে চুক্তি করে পালায়ে যায় নিজ দেশে। শুরু হয় তাদের ব্যাংক-এনজিও ব্যাবসা। কাজ করে বিভিন্ন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক।

আসা যাক ইউক্রেন যুদ্ধে। এ যুদ্ধে ক্ষমতাধর রাশিয়া ইউক্রেনের ২০% এলাকা দখর করে। আমেরিকা জোট ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে। পাল্টাপাল্টি অর্থনৈতিক অবরোধ দেয় তারা। রাশিয়া তার এলাকা দখলের নেশা থেকে সরে আসেনি, চলছে যুদ্ধ। যুদ্ধ এলাকাগুলো মানব শূন্য, ঘর-বাড়ি অট্টালিকা ভবন মাটির সাথে মিশে গেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ উদবাস্তু। একটাই উদ্দেশ্য, সেটা হলো কৃষ্ণসাগরের তীরে রাশিয়ার একক বানিজ্য এলাকা তৈরী করা। ক্রিমিয়ার সাথে স্থল যোগাযোগ তৈরী করা। কত মানুষ মারা যাবে, কত সৈন্য নিহত হবে, কত সমরাস্ত্র ধ্বংস হবে, কত অর্থ অপচয় হবে, সেটা রাশিয়া দেখবে না। তার চাই শান্তির নামে ব্যাবসার ভবিষ্যৎ পথ পরিষ্কার করা।

এ যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম হুহু করে বৃদ্ধি পায়। জীবনযাত্রা হয় ছেঁড়াফাটা। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলার-রুবলের অবস্থান পাকাপুক্ত হয়।  এখানেও তাদের ব্যাবসা। রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাশের দেশগুলো আত্মরক্ষার জন্য ক্রয় করে অস্ত্র। তারা বাজেটে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করে। তৈরি করে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অস্ত্র। আর এসব ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যাবসায়ী কোম্পানীগুলো। রড, সিমেন্ট, ঔষধ, কাপড়সহ ইত্যাদি কাচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়ে এখন দ্বিগুন। জ্বালানি খাতে তেল গ্যাসের মূল্য এখন আকাশ ছোঁয়া। নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখি। আজকে যে দামে পণ্য ক্রয় করা হয়, কালকে তার চেয়ে বেশি দামে ক্রয় করা হয়। বেশি দামে ক্রয়ের চিন্তা মাথায় নিয়ে বাজারে যায় মানুষ। আর এসব বার্তিমূল্যের টাকার একটা অংশ পাইপ লাইনে চলে যায় ঐ যুদ্ধবাজদের পকেটে।

বিশ্বের যেখানে তেল, গ্যাস, সোনা, হীরাসহ ইত্যাদির খনি আছে সেখানে শকুনের দৃষ্টি পড়ে। তারা সেসব দেশে নানা অজুহাতে হামলা করে। কখনও অভ্যন্তরীণ সংঘাত সৃষ্টি করে, কখনও ‘গণতন্ত্র মৃত্যু’র ধোঁয়া তোলে, কখনও রাসায়নিক মারণাস্ত্রের ফানুস উড়ায়। শুরু করে যুদ্ধ। বিশ্বের কোন দুর্বল দেশ কখন আক্রমণ হবে, আর কে তাকে সাহায্য করতে আসবে, তার পরিসীমা নেই। জল-স্থল-বরফ সবখানে শকুনেরা দৃষ্টি রাখে। তাদের কাছে মানুষ, মানুষের আর্তনাদ, সুখে থাকার স্বপ্ন যেন “এক কাপ চা”, যা চুমুতে শেষ।

যুদ্ধের ময়দানে আমেরিকা-রাশিয়া কোথাও গোপনে, কোথাও প্রকাশ্যে বিপরীতমুখি হয়ে থাকে। একজন যুদ্ধ বাধায়, আরেকজন মানবতার ধোঁয়া উড়ায়। একজন যুদ্ধ করে, আরেকজন যুদ্ধ দেখে। গোপনে থাকে তাদের ব্যাবসার হিস্যা ও লেনদেন। বলা যায়, টাকার এপিঠ-ওপিঠ সদৃশ্য দেশ দু’টার হাতে বিশ্ব আজ তাসের তুরুপ। তারা মুখোশ পরা গোখরা।

পরাশক্তি দেশ দুটার সম্পদ লুটের আচরণের সাথে, ইরান-সৌদির মুর্খতার কথা ধরা যাক। তারা নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে, এবং আঞ্চলিক সমর্থক বৃদ্ধি করতে তৎপর। ইয়েমেনে তারা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত। সেখানে শিয়া-সুন্নী সংঘাত। সেখানে মানবতা বিপন্ন। ইন্ধন জোগায় আমেরিকা-রাশিয়া। সেখানেও তাদের ব্যাবসা।

এককালের রোম-পারস্যের দাপট মাটির সাথে মিশে গেছে। হাজার হাজার বছরের চীন, সিন্ধু, মিশরের রাজত্য ইতিহাসের পাতায় বন্দি। আজকে যারা ক্ষমতার দাপটে মানবতাকে পায়ে দলে, অর্থ-সম্পদ লুটের জন্য শ্যামল ধরনীকে অশান্ত করে, বেঁচে থাকার ঠাঁই ধুলায় মিশে দেয়, দু’নয়নে নায়াগ্রা ঝরায়, তাদের বুঝা উচিৎ স্রষ্টার সৃষ্টিকে ধ্বংস করে লাভ নেই। যুদ্ধে অশান্তি জন্মে, তার মৃত্যু হয় না। আজ ব্যাবসার নেশায় যুদ্ধ বন্ধ হোক, বিশ্ব এটাই চায়।

লেখক: সহ-সভাপতি, লেখক সংসদ (কাচারি বাজার), রংপুর এবং কলামিস্ট, সাহিত্যিক।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com