রংপুরে শীতে  জমাজমাট পূরোনো পোষাকের বাজার

আমাদের প্রতিদিন
2024-04-07 12:05:53

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুর নগরীসহ বিভাগজুড়ে অব্যাহতভাবে হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীত। এই শীত কেউ আগুন জ্বালিয়ে শীত তাড়ানোর চেষ্টা করছেন। আবার কেউ ছুটছেন পুরোনো কাপড়ের দোকানে। কিন্তু এ বছর ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরোনো কাপড়ের দামও বেড়ে গেছে। জমজমাট হয়ে উঠেছে পুরোনো কাপড়ের বাজার। তবে দাম বেশি এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এনিয়ে অনেকের মাঝে চরম ক্ষোভও দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রংপুর নগরীর কাচারি বাজার সুরভী উদ্যান, গ্র্যান্ড হোটেল মোড় জামাল মার্কেট, স্টেশন কেজি মার্কেট ও স্টেশন মার্কেট সহ পুরোনো পোশাকের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ভিড়। ব্যবসায়ীরা জানান, পুরোনো কাপড় হলেও এসব কাপড়ের মান ভালো। বিদেশি কাপড় তুলনামূলক সস্তাতে পাওয়ায় এখন ধনী—গরীব সবাই কিনছেন। তবে নিম্ন আয়ের মানুষজনই বেশি কিনে থাকেন এসব পুরোনো কাপড়। কিন্তুু এবার দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক ক্রোতার সাধ্যের বাহিরে চলে গেছে। এতে বিক্রিও কিছুটা কমেছে। তারপরেও শীতের তীব্রতার কারণে জমজমাট হয়ে উঠেছে পূরোনো পোষাকের বাজার।

নগরীর স্টেশন বাজারে কথা হয় আশরাফুল আলম ও হুমায়ন রশিদ শাহীন নামের দুই ক্রেতার সাথে। তাদের বাড়ি নগরীর আরাজি তামপাট নগর মীরগঞ্জ এলাকায়। তারা বলেন, সাধ্য নাই বড় মার্কেট থাকি কাপড় কিনমো। ঠান্ডা আসলে এখান থাকি কাপড় কিনি।

তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী হাজিপুর এলাকার আব্দুস সালাম বলেন, শীত আসলে কেজি মার্কেট থাকি কাপড় কিনি। দোকানগুলোতে ঘুরছি। যে দোকানে কম দাম পাবো সেখান থেকেই কিনব। এ বছর দাম বেশি নিচ্ছে। আগে ২৫০ টাকাতেই ভালো কাপড় কিনছিলাম কিন্তু এ বছর ৪০০ টাকাতেও পাচ্ছি না।

আলমনগর কেজি—পুরান মার্কেটের সভাপতি আবিদ হোসেন বলেন, পুরাতন কাপড়ের মার্কেটে ২০০ দোকান রয়েছে। এসব দোকানের অধিকাংশ কাপড় বিদেশ থেকে আমদানি করা। এগুলো মূলত জাপান, কোরিয়া, তাইওয়ান ও চীন থেকে জাহাজে করে আসে। এরপর চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ বছর কাপড় কিনতে বেশি দাম লাগছে তাই গতবারের তুলনায় কাপড়ের দাম একটু বেশি। তবে শীত বেশি থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে তিনি জানান।