বুধবার, ৪ আগষ্ট ২০২১   Wednesday, 4 August 2021.  



 বাংলাদেশ


আমাদের প্রতিদিন

 Jun-23-2021 05:55:21 PM


 

No image


পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

উত্তর পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ প্রকল্পে পার্বতীপুর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি সারাদেশের সমস্ত খামারের মধ্যে সার্বিক বিবেচনায় এবার প্রথম হয়েছে। ইতোমধ্যে খামারটি গলদা চিংড়ির রেনুধানী পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে এতদাঞ্চলের প্রায় ৪৬টি উপজেলায় কার্প গলদা মিশ্র চাষ খামার প্রদর্শনীসহ চিংড়ি উৎপাদনে কাক্সিক্ষত সফলতা লাভ করেছে।

এছাড়াও রাজাশাহী বিভাগের ৮ উপজেলায় কার্প গলদা মিশ্রচাষ প্রর্দশনী পুকুরের জন্য পার্বতীপুর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার থেকে প্রচুর পরিমান জুভেনাইল (রেনু) সরবরাহ করা হয়েছে। একই সাথে কার্প জাতীয় রুই মৃগেল কাতলা মাছের রেনু ধানী পোনা ও দেশীয় প্রজাতির শিং মাগুর গুলশা পাবদা এবং কৈ মাছের রেনু ধানী পোনা উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে খামারটিতে।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত এই মৎস্য খামারটি ৮ জেলার মৎস্য রাজধানী নামে খ্যাত। জেলা গুলো হলো- পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁও দিনাজপুর নীলফামারী রংপুর লালমনির হাট গাইবান্দা ও কুড়িগ্রাম। জেলা সমূহের মধ্যে মৎস্য কার্যক্রম সম্প্রসারণে রাজস্ব খাতের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হচ্ছে খামারটি থেকে। মৎস্য চাষী মৎস্যজীবী এবং আগ্রহী জনগোষ্ঠী সহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মৎস্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে পার্বতীপুরের এই মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটিতে। এবারে গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা ছিল ৪ লক্ষ ৫০হাজার টি। আশার কথা হচ্ছে, এ রিপোট লেখা পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৬০হাজার টি জুভেনাইল উৎপাদনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত এলাকা বা উৎসাহী খামারীদের কাছে চিংড়ির রেনু ধানী পোনা সরবরাহ চলছে। এদিকে চিংড়ির জুভেনাইল উৎপাদন করে খামারটি হতে রাজস্ব খাতে ৫২হাজার টাকা জমা দেয়া হয়েছে। এরপর আরো ৫০হাজার টি গলদা চিংড়ি জুভেইল উৎপাদনের কার্যক্রম চলছে। যার মূল্য ২লক্ষ ৭৫হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, ৮.১৪ হেক্টর জমির উপর স্থাপিত খামারটির জনবল ৩৯জন হলেও কাজ করছেন সেখানে মাত্র ১৭জন। প্রকল্পটিতে পুকুর রয়েছে মোট ৪৬টি। বৃহৎ একটি কার্প হ্যাচারী ও একটি গলদা চিংড়ির জুভেনাইল উৎপাদন হ্যাচারী রয়েছে সেখানে। গোটা উৎপাদন ব্যবস্থা মিলে হ্যাচারীটির প্রতি বছর রাজস্ব আয়ের পরিমান ৩৪ লক্ষ টাকা বলে জানান খামার ব্যবস্থাপক মুসা কালিমুল্লাহ্। জানা গেছে সমগ্র বিশে^ হোয়াইট গোল্ড তথা সাদা সোনা নামে পরিচিত গলদা চিংড়ি উৎপাদনে এই খামার ব্যবস্থাপক লালমনিরহাট কুড়িগ্রাম কুষ্টিয়া ভেড়ামারা সর্বশেষ পার্বতীপুর মৎস্য বীজ খামারটিতে গলদা চিংড়ির জুভেনাইল উৎপাদনে বিপ্লব সাধন করায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি কেড়েছেন। অথচ এক সময় শুধু দক্ষিন অঞ্চলের সাগর উপকুলে লোনা জলের ঘের পন্থার চিংড়ি উৎপাদন ছাড়া বরেন্দ্র অঞ্চলে চিংড়ি চাষ ছিল অলিক ভাবনা। এ ব্যাপারে রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক ডঃ সাইনার আলম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস.এম রেজাউল করিমের সাথে চিংড়ি উৎপাদন সংক্রান্তে কথা হলে ভীষণ উৎফুল্লতা প্রকাশ করেন।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com