বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১   Thursday, 24 June 2021.  



 প্রধান শিরোনাম


আমাদের প্রতিদিন
Jun-10-2021 09:54:00 PM
 

No image


পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী পার্বতীপুর উপজেলাটির সকল শিক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে করোনা কারণে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। অনেকটা বিকল ও বিকলাঙ্গের ন্যায় জীবন যাপন করছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা তো প্রায় ভুলতেই বসেছেন শিখন-শিক্ষনে দৈনন্দিন রোজ নামচার বিষয়টি।

পার্বতীপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত জ্ঞানাঙ্কুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুরে গিয়ে দেখা গেল শুনশান জন মানবহীন পরিবেশে অনেকটা অসহায়ের মত দাড়িয়ে আছে সুরম্য একাডেমিক ভবনগুলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পার্বতীপুরে মোট ১২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিক্ষার্থী প্রায় ৮০ হাজারের ঊর্ধ্বে। এসবের মধ্যে ৩৯টি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী আর অন্যান্য নি¤œ মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজসহ টেকনিক্যালে লেখাপড়া করেন ৬০ হাজার শিক্ষার্থী। কলেজ সংখ্যা ১০, স্কুল এন্ড কলেজ ৬, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ৬ এবং উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে ৭০টি। এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে উপজেলা মাধ্যমিক কার্যালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র থেকে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ঘুরে দেখার সময় উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের যশাই হাট বালিকা দ্বিমুখী মাদ্রাসার সুপার রবিউল ইসলামের সাথে কথা হলে জানান, আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জবাব দিতে পারছি না। বিদ্যালয় খোলার পক্ষে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে দায়-দায়িত্ব মাথায় নিয়ে বিদ্যালয় খুলতে বলছেন।

শহরতলীর হলদীবাড়ি বিদ্যানিকেতনে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীর বাবা মোশারোফ হোসেন বলেন, মৃত্যু থাকলে কে ঠেকাবে, খামাখাই বাচ্চাদের লেখাপড়া ধ্বংস করা হচ্ছে।

অপরদিকে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রধান শিক্ষক জানান, আমরা কী করতে পারি? যখন যে নির্দেশ আসছে সরকার থেকে তা বাস্তবায়ন করা ছাড়া। প্রায় ৪ লক্ষ মানুষের বসবাসরত উপজেলাটি একসময় শিক্ষা কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে এবং ছিনিয়ে এনেছে অসংখ্য জাতীয় পুরষ্কার। আজ সে উপজেলাটি শিক্ষা কার্যক্রমবিনে ভুতুড়ে নগরীতে পরিণত হয়েছে। শহরেই ৭টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৪টি কলেজ রয়েছে। এক সময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ছন্দশীল চলাফেরায় মুখোর হয়ে থাকত রাস্তা-পথগুলো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিদ কায়সার রিয়াদ’র সাথে কথা হলে জানান, করোনা চলাকালীন বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠমো গত কোন সমস্যা যেন না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। মহামারী প্রাদুর্ভাব কমে আসার সাথে সাথে স্কুল-কলেজ খোলা হলে শিক্ষার্থীরা যেন নির্বীঘেœ লেখাপড়া শুরু করতে পারে এবং প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে পায় সে ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন সুতীক্ষè দৃষ্টি রাখছে।



আজকের রংপুর


No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image
No image






 

 

 

 

 

 
সম্পাদক ও প্রকাশক
মাহবুব রহমান
ইমেইল: mahabubt2003@yahoo.com