জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবীতে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

আমাদের প্রতিদিন
2026-03-11 02:16:23

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রংপুরের কৃতিসন্তান এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচির পূর্বে কলেজ মাঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল মতিন ফারুকী, সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দীন,  শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম শাখার সভাপতি এডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আবদুল হামিদ মিয়া এবং জেলা শিবিরের সভাপতি মোঃ মুকুল হোসেন। এরপর জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল মতিন ফারুকী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দীনের নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজ মাঠ থেকে বিপুলসংখ্যক জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদের অংশ গ্রহণে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুড়িগ্রাম আদর্শ মজিদা কলেজ গেট- এলাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুল মতিন ফারুকী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মোঃ নিজাম উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি ও কুড়িগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ আবদুল হামিদ মিয়া, শহর আমীর মোঃ আব্দুস সবুর খান প শিবিরের সভাপতি মোঃ মুকুল হোসেন প্রমূখ।

বক্তাগণ বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। দেশ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করে। রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় ফ্যাসিস্ট সরকারের গ্রেফতারকৃত অনেক নেতাকর্মী মুক্তিলাভ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে অনেককে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দেওয়া হয়। দেশবাসী আশা করেছিল যে, চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে মুক্তিলাভ করবেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ১০ দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম মুক্তিলাভ করেননি। জামায়াত স্বৈরশাসনামলে জুলুম এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আর স্বৈরশাসন মুক্ত বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। 

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে বিচারিক কার্যক্রমসমূহ সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত। স্বৈরাচারের আমলে গ্রেফতারকৃত এটিএম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তার প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে তাঁকে এখনো আটক রাখায় জাতি বিস্মিত ও হতবাক। দেশবাসী স্বৈরাচারের কবল থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তি চায়। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।