আহসান হাবীব নীলু, কুড়িগ্রাম :
কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দিন দিন বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশে মাঠ মুখর থাকলেও ভোটের ফলাফল নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। কে জয়ী হবেন—এ মুহূর্তে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আওয়ামী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভোটই জয়ের চাবিকাঠি: কুড়িগ্রামের চার আসনে নীরব ভোটারদের দিকে তাকিয়ে প্রার্থীরা।
স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সরজমিনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন দলের কর্মী-সমর্থকরা সক্রিয় থাকলেও প্রকাশ্যে মত দিচ্ছেন মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভোটার। বাকি প্রায় ৬০ শতাংশ ভোটার নীরব, মুখ খুলছেন না। ফলে শেষ মুহূর্তের ভোটের হিসাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে রয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এই নিরব ভোটাররা পালটে দিবে আগামী সংসদ নির্বাচনের ফলাফল।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটাররা বড় ফ্যাক্টর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। যে প্রার্থী এই ভোটব্যাংক নিজের দিকে টানতে পারবেন, জয়ের পথে তিনিই এগিয়ে থাকবেন।বিভিন্ন নির্ভর যোগ্য তথ্য মতে কুড়িগ্রাম-১, আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার, কুড়িগ্রাম-২ আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার, কুড়িগ্রাম ৩ আসন হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩৭ হাজার, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার।
জেলা হিন্দু-খিস্টান- বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি ছানালাল বকসী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা সামান্য কমবেশি হতে পারে। তবে ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও বেশ কিছু কর্মী সমর্থক পলাতক থাকায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কত শতাংশ ভোটার রয়েছে তা নির্ধারণ করা দুষ্কর।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভোটাররা বড় ফ্যাক্টর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। যে প্রার্থী এই ভোটব্যাংক নিজের দিকে টানতে পারবেন, জয়ের পথে তিনিই এগিয়ে থাকবেন। এ কারণে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও জাতীয় পার্টি সবাই আওয়ামীলীগ সমর্থক এবং হিন্দু ভোটারদের মন জয় করতে নিচ্ছেন না উদ্যােগ। দিচ্ছেন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
কুড়িগ্রাম-১ : (নাগেশ্বরী–ভূরুঙ্গামারী) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সাংসদ সাইফুর রহমান রানা,১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছয়বারের সাবেক সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হারিসুল বারী রনি, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা।
এ আসনটি ছিলো জাতীয় পার্টির দুর্গো। শুধু মাত্র গত ২০১৮ সালের নির্বাচনে উন্মুক্ত নির্বাচনে নৌকা বিজয়ী হয়। ২০২৪ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে পরাজিত করে আবারও লাঙ্গল বিজয়ী হয়।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৮ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৪২৪, নারী ভোটার ২ লাখ ৮২ হাজার ৫৫১ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এ আসনে হিন্দু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখানে মূল লড়াই ত্রিমুখী। সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তার লাঙ্গল মার্কা। তার ভোটের মুল ভরসা আওয়ামীলীগ সমর্থক ও হিন্দু ভোটার। বিএনপির প্রার্থী সাইফুর রহমান রানার প্রধান অন্তরায় দলীয় গ্রুপিং। তবে ইতি পূর্বের সকল নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে হেরেছেন। এবার স্বপ্ন দেখছেন বিজয়ের। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে দীর্ঘদিনের জোটের সড়িক জামাতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি দাঁড়িপাল্লায় জোয়ার দেখছেন। এ আসনে যেই বিজয়ী হোক তাকে লাঙ্গলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কুড়িগ্রাম-২ : (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী) এ আসনে প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির ধানের শীষ: সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ,১১ দলীয় জোটের এনসিপির শাপলা কলি মার্কা নিয়ে ড. আতিকুর রহমান,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল পনির উদ্দিন আহমেদ,ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা অধ্যক্ষ নুর বখত,নাগরিক ঐক্যের কেটলি মেজর (অব.) মুহাম্মদ আবদুল সালাম,সিপিবির কাস্তে মার্কা নূর মোহাম্মদ, এবি পার্টির ঈগল মার্কায় নজরুল ইসলাম খান,স্বতন্ত্র প্রার্থী হাঁস মার্কা নিয়ে ড. অ্যাডভোকট সাফিউর রহমান।
এ আসেন মোট ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯০, নারী ৩ লাখ ৪ হাজার ৮৪১ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭ জন। এ আসেন হিন্দু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।
এ আসনটি এরশাদের সময় থেকে বরাবরই ছিলো জাতীয় পার্টির দখলে। ২০০৯ সালে হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এ আসনটি ছেড়ে দিলে আওয়ামীলীগের জাফর আলী উন্মুক্ত নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে পরাজিত করে। এর পর এ আসনটি আবারও জাতীয় পার্টির দখলে চলে যায়। ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয় জাতীয় পার্টির শিল্পপতি পনির উদ্দিন আহমেদ। এবারও তিনি প্রার্থী হয়েছেন লাঙ্গল মার্কার। আওয়ামিলীগের ভোটারদের ভেড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজারহাট উপজেলায় হিন্দু ভোটারদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। জেলা শহর হওয়ায় আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা পলাতক থাকলেও তাদের সমর্থক ভোটাররা ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।
জেলা সদরের এ আসনটিতে বিজয়ী হতে কোমর বেঁধে মাঠে আছেন বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তারুণ্য দীপ্ত এ প্রার্থী নিজের ইমেজকে কাজে লাগিয়ে হিন্দু কমিউনিটিতে একটা জায়গা করে নিয়েছেন। কুড়িগ্রাম পৌর সভার ৮ জন কাউন্সিলর, কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যানকে দলে ভিড়িয়েছেন। এতে তারা আশাবাদী এসব ভোট ধান শীষের পক্ষে আসবে।
এনসিপির প্রার্থী আতিকুর রহমান শাপলা কলি নিয়ে পথে প্রান্তরে ছুটছেন। তরুণ এ প্রার্থী তরুণ -যুবকদের মাঝে সাড়া ফেলেছেন। দিনবদলের আওয়াজ তুলে যুব সমাজের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছেন। ভোটের মাঠে হাওয়া লেগেছে। ধানের শীষ আর লাঙ্গলের সাথে দিচ্ছেন টক্কর। ফলে ধানের শীষ, শাপলা কলি আর লাঙ্গলের মধ্যে হবে ত্রিমুখী লড়াই। কে শেষ হাসি হাসবেন তা নির্ভর করছে নিরব ভোটারের সিদ্ধান্তোর উপর।
কুড়িগ্রাম-৩ : (উলিপুর উপজেলা) প্রধান প্রার্থীরা— বিএনপির ধানের শীষ: শিল্পপতি তাসভীর উল ইসলাম, ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা: ড. মাহবুবুল আলম সালেহী,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল: আব্দুস সোবহান সরকার,ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা: সাবেক সাংসদ ডা. আক্কাছ আলী সরকার,গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক: নুরে এরশাদ সিদ্দিকী,স্বতন্ত্র হাঁস: ড. অ্যাডভোকোট সাফিউর রহমান। ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪, নারী ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ জন।
দীর্ঘদিন এ আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে থাকলেও গত ২০১৮ সালের নির্বাচনে এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী বিজয়ী হয়। এ আসনে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩৭ হাজার।
এখানেও আওয়ামী লীগপন্থী ও হিন্দু ভোটাররা জয়ের ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ধানের শীষের প্রার্থী এই ভোটব্যাংক নিজের দিকে টানতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন। একই ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুস সোবহান সরকার। এখন পর্যন্ত শান্তি আর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অধিকাংশ হিন্দুরা ধানের শীষের পক্ষে থাকবেন এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে ধর্মীয় নেতাদের আশ্বাসে। এ আসনে লড়া হবে চতুর মুখী। তবে এগিয়ে আছে ধানের শীষ আর দাঁড়িপাল্লা মার্কা। হঠাৎ করে কোন আমুল পরিবর্তন না হলে ধানের শীষ আর দাঁড়িপাল্লার লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।
কুড়িগ্রাম-৪ : (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) এ আসনে রয়েছে ভিন্ন মাত্রার লড়াই। প্রার্থীরা—বিএনপির ধানের শীষ: আজিজুর রহমান, ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা: মোস্তাফিজুর রহমান,জাতীয় পার্টির লাঙ্গল: কে এম ফজলুল হক মণ্ডল,ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা: হাফিজুর রহমান,বাসদ (মার্ক্সবাদী) মই: রাজু আহমেদ, স্বতন্ত্র বালতি: মো. রুকুনুজ্জামান।
এ আসনের বিশেষত্ব হলো—ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার দুই প্রধান প্রার্থী আপন সহোদর ভাই। ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন করেছে এলাকা গুলোকে, পাশাপাশি ভাটিয়া ও উজানী জনগোষ্ঠীর মধ্যেও রয়েছে সামাজিক বিভাজন। ফলে ভোটের সমীকরণ জটিল। ১৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে এ আসনে চিলমারী উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুকুনুজ্জামান শাহীন কিছুটা সুবিধা জনক অবস্থায় আছেন। ধানের শীষ এগিয়ে থাকলেও। বিজয়ের লড়াইয়ে ধানের শীষকে ছুঁতে চাইছে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর বালতি মার্কা।
কুড়িগ্রাম জেলা দু'প্রকের সভাপতি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক লিয়াকত আলী বলেন, “বিগত নির্বাচনগুলো প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় মানুষ ভোটের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। প্রায় ৫০/৬০ শতাংশ ভোটার এখনো অনাগ্রহী। সরকারের ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণের নানা উদ্দোগ এবং ভোটের মাঠের রাজনৈতিক দলগুলোর বিরামহীন গণসংযোগ সচেতনতা বাড়াচ্ছে। মানুষের মাঝে আস্হা ফিরছে ক্রমেই। তবে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলে শেষ মুহূর্তে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে। উন্নয়ন বঞ্চিত এ অঞ্চলের মানুষ আশায় বুক বেঁধে বারবার হতাশই হয়েছে। ঘটেনি ভাগ্যের পরিবর্তন। এবার এমন প্রার্থী বা দলকে নির্বাচিত করতে চায় যারা কথার প্রতিশ্রুতি নয় বাস্তব উন্নয়ন ঘটাবেন। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্রীজ, রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জেলার ছোট-বড় ১৬ নদীর নাব্যতা ফিড়ানোর পাশাপাশি নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ। চার শতাধিক চরাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি এবং কাজের অনিশ্চয়তা গুরুত্ব পাচ্ছে। "
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৩৮ জন এবং নারী ১ লাখ ৮১ হাজার ৪১১ জন। হিজরা ভোটার ৪জন। এ আসনে হিন্দু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার
সব মিলিয়ে, কুড়িগ্রামের চার আসনেই নির্বাচন নিয়ে উত্তাপ থাকলেও জয়-পরাজয়ের হিসাব এখনো অঙ্কের বাইরে—শেষ সিদ্ধান্ত নেবে নীরব ভোটাররাই।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৭জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ জন এবং নারী ৯ লাখ ৫৪ হাজার ২০৯জন। হিজার ভোটার সংখ্যা ১৪জন। পোষ্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করেছেন ১৩ হাজার ৫০৯জন। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম -১ আসেন তিন হাজার ৭০৩জন, কুড়িগ্রাম-২আসনে তিন হাজার ৯২৩ জন, কুড়িগ্রাম -৩আসনে দুই হাজার ১০১জন, এবং কুড়িগ্রাম -৪ আসনে তিন হাজার ৭৮২ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭০৬টি, কক্ষ সংখ্যা তিন হাজার ৮৭১টি। এর মধ্যে পুরুষ কক্ষ এক হাজার ৮০৬টি এবং নারী কক্ষ সংখ্যা দুই হাজার ৭৩টি।