পীরগঞ্জ(রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চতরা হাটের ৯ একর ৮০ শতক জমি এখন সম্পুর্ন বেদখল । বিগত বছর গুলোতে হাটের জায়গা দখলের প্রতিযোগিতা হয়েছে। কেউ কেউ হাটের জমি দখল করে বাড়ি ঘর নির্মান পর্যন্ত করেছিল। পরবর্তিতে বিগত ২০১১ ইং সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারামলে সেনা বাহিনী হাটের বে-দখল হয়ে যাওয়া জমি সম্পুর্ন উদ্ধার করে। এর পর যথারীতি প্রতি বছর হাটে ইজারার পরিমান বাড়তে থাকে। এক সময় তা কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
গত বছর চতরা হাটের ইজারাদার হাবিবুর রহমান হাবিব হাইকোর্টে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ মামলা করেন। ওই মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট অবৈধ দখলদারদের চিহ্নিত করন পুর্বক উচ্ছেদ ও তার পুর্বে নিলাম ডাক স্থগিত এর নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের ওই নির্দেশ উপেক্ষা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলার অন্যান্য হাটবাজারের সাথে চতরা হাটেরও ২০২৬ সালের দরপত্র আহ্বান করেন। ফলে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রীয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, চতরা হাটটির নামে ৯ একর ৮০ শতক জমি রয়েছে। যার অধিকাংশই বে দখল হয়ে গেছে। বর্তমানে ২ একর জমির উপর নিয়মিত হাট বসছে। ফলে অলি গলিতে হাটুরেদের কেনাবেচা করতে হচ্ছে। অবশিষ্ট হাটের সম্পুর্ন জায়গায় প্রভাবশালীদের দখলে। দখলদাররা তাদের ইচ্ছা মতো বাড়িঘর নির্মাণ করেছে। যে কারনে প্রতিবছর হাট ইজারা নিয়ে লোকসানে গুনতে হচ্ছে হাট ইজারাদারকে।
বিগত বাংলা ১৪৩১ সালে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে চতরাহাট ভ্যাটসহ প্রায় ৯৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা সরকারি ভাবে ডাক দেয়া হয়। ইজারাদার হাবিবুর রহমান হাবিব ক্ষতি পুষিয়ে এবং হাটের জায়গা উদ্ধার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে মহামান্য হাইকোর্ট তা মঞ্জুর করেন। হাট ইজারাদার হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, এলাকার কিছু লোকজন প্রভাব খাটিয়ে হাটের অলিগলিতে প্রায় ৩৫০ টি স্থানে দোকান ঘর তৈরি করে। এদের মধ্যে অনেকেই ঘরগুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ভাড়ার মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।
এলাকাবাসী ও হাট কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিত্তিতে হাটের জায়গা উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
দরপত্র বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুনের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, চতরাহাট ডাক বন্ধের কোন কাগজপত্র আমি পাইনি।