পুষ্টির অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই-নীলফামারীতে ‘খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টির সম্প্রসারণ সেমিনারে বক্তারা

2026-03-16 22:38:44

নীলফামারী প্রতিনিধি:

‘খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টির সম্প্রসারণ’ (এক্সপান্ডিং নিউট্রিয়েন্টস ইন ফুড সিস্টেমস) বিষয়ক সেমিনার নীলফামারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে(১৬মার্চ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে নাফ বাংলাদেশের আয়োজনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর রহমান।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন হারভেস্ট প্লাস সলুশন এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ শাহিনুল কবির ও জিংক সমৃদ্ধ চালের গুণাগুন উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট রংপুরের পিএসও ড. রকিবুল হাসান।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা প্রাণী সম্পাদক কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মন্ডল, সদর উপজেলার লক্ষচাপ ইউনিয়নের উদ্যোক্তা সুলতানা বেগম বক্তব্য দেন।

সেমিনারে বলা হয়, পুষ্টির ঝুঁকিতে থাকা নারী, কিশোরী ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর বায়োফর্টিফাইড খাবার গ্রহণ বাড়ানো এবং নারী কৃষক এবং এসএমইদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এই প্রকল্পে। পুষ্টির অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের বিকল্প নেই। 

‘খাদ্য ব্যবস্থাপনায় পুষ্টির সম্প্রসারণ’ প্রকল্পটি কানাডা সরকারের অর্থায়নে রংপুর বিভাগের দিনাজপুর, নীলফামারী, রংপুর ও লালমনিরহাট জেলায় বাস্তবায়ন করছে হারভেস্টপ্লাস। চার বছর মেয়াদী প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৭সালে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর রহমান বলেন, ৫লাখ পরিবারকে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা মনজুর রহমান বলেন, জিংকের অভাবে ছেলে মেয়েরা খাটো হয় না, শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি ও মেধার বিকাশ ঘটে, ক্ষুধা মন্দা দুর হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এজন্য জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ১০২ এর চাষাবাদ এবং এই ধানের ভাত খেতে হবে।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের সমন্বিত ভাবে পুষ্টিহীনতা রোধে কাজ করতে হবে। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এই ধানের চাল বিক্রি করার উদ্যোগ নিতে হবে। অন্তত প্রতিটি বাজারে একটি করে দোকানে এই চাল রাখতে হবে।

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ধানের ভাত খেলে আমাদের পুষ্টিহীনতা দুর হবে।

সরকারী বিভিন্ন দফতর প্রধান, কৃষি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও উদ্যোক্তাগণ এতে অংশ নেন।