বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার হাট-বাজারে এখনও চলছে সনাতনী দাঁড়ি-পাল্লায় পণ্য বিক্রি। ডিজিটাল পরিমাপ যন্ত্র ও সনাতনী পরিমাপ ব্যবস্থায় ওজনে কারচুপি করার সুযোগ থাকায় অনেক দোকানীর কারসাজিতে ঠকছে ক্রেতা।
জানা গেছে, বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজর এমনকি শহরের বাজারের কিছু দোকানে এখনও চলছে সনাতনী দাঁড়ি-পাল্লায় পণ্য বিক্রি। ইতেপূর্বে প্রশাসন বিভিন্ন সময় অভিযান চালানোর ফলে স্থায়ী দোকান সমূহে ডিজিটাল পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে খোলা বাজারের অনেক দোকানীর মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। ডিজিটাল পরিমাপ যন্ত্রে ও সনাতনী পরিমাপ ব্যবস্থায় ওজনে কারচুপি করার সুযোগ থাকায় অনেক দোকানীর কারসাজি করে ওজনে কম দেওয়ার মাধ্যমে ক্রেতাদের ঠকিয়ে থাকেন। সনাতনী দাঁড়ি-পাল্লার জন্য অভিযান হলেও ডিজিটাল পরিমাপ যন্ত্রের মাধ্যমে ক্রেতারা ওজনে কম পেলো কি না সে বিষয়ে কোন অভিযান হয় না, সে বিষয়ে জন্য ক্ষুদ্র দোকানীদের অভিয়োগ । মাহমুদপুরের ক্ষুদ্র দোকানী সোহেল রানা বলেন, ডিজিটাল পরিমাপ যন্ত্র কিনতে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা লাগে। আর সনাতনী দাঁড়ি পাল্লা মিলে ২/৩শ’ টাকায়। বাড়তি টাকা খরচের ভয়ে অনেকে সনাতনী পাল্লা ব্যবহার করছেন।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহ্মিনা সুলতানা নীলাকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে অতি শ্রীঘ্রই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।