নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর নারীদের ন্যায্য অধিকার, শিক্ষা, কর্মজীবি উদ্দ্যোক্তায় বিশেষ অবদানে কাজ করে যাচ্ছেন নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের (বিএনপি) ডিমলা উপজেলা শাখার সভানেত্রী, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের(বি-১৯২৫) জেলা শাখার সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোছাঃ নুরজাহান পারভীন।
তিনি জানান যে, তিনি একজন বিআরডিবির মাঠ সংগঠক। তার ব্লকে ৪২টি সংগঠন রয়েছে। সংগঠনগুলো ১৯৯৪ সাল থেকে পরিচালনা করে আসছেন। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়সহ সমাজ সেবায় নিয়োজিত আছেন । এছাড়া তিনি গাভী পালন, পোল্ট্রি ফার্ম, হস্তশিল্প,দর্জি প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসায় উদ্ভুর্ধ, ব্লক বাটির কাজ, রাস্তা সংস্কার, বাল্যবিবাহ বিবাহ ও বহুবিবাহ রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের স্কুলগামী, নারীদের ক্ষুদ্রঋণ প্রদানে উদ্দ্যোক্তা এছাড়াও সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় আচার -অনুষ্ঠান কাজ করে চলছি । তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের আওয়ামীলীগের ফ্যাসিবাদ আমলে, যখন সারা বাংলাদেশে বিরোধীদলের রাজনীতি করার পরিবেশ ছিল না, রাস্তায় দাঁড়াতে পারেনি। তখন তিনি একজন নারী হওয়া সত্ত্বেও বাবা-মা, স্বামী, সন্তানাদি সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে বিএনপি দলের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে ছিলেন। ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে মৃত্যুকে বরণ করার মানসিকতা নিয়ে আওয়ামীলীগের ডামি নির্বাচন বর্জন করে প্রায় ৮৪টি ভোটকেন্দ্রে মজলুম এর প্রতিবাদ স্বরূপ, ঐতিহাসিক ভূমিকার অংশ হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। বাংলাদেশের ৩০০ আসনের মধ্যে, এই আসনে আওয়ামীলীগের ক্ষমতায়ন ছিল সর্বোচ্চ কর্তৃত্বশীল। তারপরও তারা সেদিন সফল হয়েছিল প্রতিবাদের সর্বোচ্চ চুড়ায় পৌঁছাতে। এই আন্দোলনের কারণে সেদিন এক ত্যাগী নেতাকে ঘাতকের আঘাতে প্রাণ হারাতে হয়েছিল। স্বৈরাচারের সেই রক্তাক্ত অধ্যায়ের পর থেকে তারই খেসারত দিতে হয়েছে। জেলার আসনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে দীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন করে বলেন যে, নীলফামারী জেলার চারটি আসনেই বিরোধীদল, জেলায় সকল আসনে জামায়াতে বিজয় লাভ করেছে। এই ফলাফলের পেছনে নিহিত কারণ হলো যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবশালী দল ধর্মের আড়ালে জনগণের বিশ্বাসকে প্রদুব্ধ করেছে এবং স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাদের ধর্মভীরু মনোবৃত্তিকে কাজে লাগিয়েছে।
আমাদের নীলফামারীবাসী নেতৃত্ব চিনতে চরম ভুল করেছেন। এই এলাকার মানুষ অনেক দুস্থ অভাবী, কর্মসংস্থানের সংকটে, তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর গুলোতে রিকশা,ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চালায়, ধান কাটতে শ্রমিক হিসেবে কুমিল্লা- বগুড়া সহ অনেক জেলায় কর্মের সন্ধানে যায়। স্বল্প শিক্ষিত বেকাররা রাজমিস্ত্রির কাজ করতে উন্নত শহরে যায়। জেলার অনেক হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা হয় না। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের বাহিরে টেস্ট করার মত অর্থ- কড়ি থাকে না।
নীলফামারী জেলার জন্য বিশেষ উদ্যোগ এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া অত্যাবশ্যক। জেলার
জনগণকে মৌলিক সুবিধা ও সুফল না দিলে, তারা পূর্বের মতোই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে। তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই মানুষের জন্য যথাযথ সহায়তা ও উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের আপোষহীন দেশনেত্রীর সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভদৃষ্টি কামনা করছেন।