বিরামপুরে চৈত্রের দাবদাহ বিদ্যুৎ এর ভেলকি বাজি ও লোড শেডিংয়ে বেড়েছে রি-চার্জেবল ফ্যানের চাহিদা

2026-04-08 21:46:59

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

চৈত্রের দাবদাহ ও বিদ্যুতের ভেলকি বাজি এবং লোড শেডিংয়ের কারণে বিরামপুর এলাকায় বেড়েছে রি-চার্জেবল ফ্যান ও আইপিএস’র চাহিদা। বুধবার (৮ এপ্রিল) শহরের দোকানীরা ব্যাপক হারে রি-চার্জেবল ফ্যান বিক্রির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আর দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম বলেন, বিদ্যুৎ মিলছে চাহিদার অর্দ্ধেক।

জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে এই এলাকায় চলছে চৈত্রের দাবদাহ। প্রচণ্ড গরমের মাঝে আবার শুরু হয়েছে বিদ্যুতের লোড শেডিং। ফলে মানুষ একটু স্বস্তির আশায় ঝুঁকে পড়েছেন রি-চার্জেবল বৈদ্যুতিক ফ্যান কেনার দিকে। সামর্থবানরা নিশ্চিন্তে থাকার জন্য সংযোগ করছেন আইপিএস। শহরের ইলেক্ট্রিক দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে রি-চার্জেবল ফ্যান কেনার ক্রেতা সমাগম।

পার্শবর্তী বিজুল বাজারের খুচরা দোকানী মোতালেব বলেন, তার এলাকায় রি-চার্জেবল ফ্যানের চাহিদা বাড়ায় তিনি বিরামপুর থেকে পাইকারি দামে ফ্যান কিনতে এসেছেন। ইলেক্ট্রিশিয়ান মিন্টু মিয়া বলেন, গ্রাহকদের আইপিএস সংযোগের কাজে তিনি এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিরামপুর পুরাতন বাজারের জনতা ইলেক্ট্রিকের স্বত্বাধিকারী আশরাফুল ইসলাম বলেন, তিনি এক দিনেই ১৬টি রি-চার্জেবল ফ্যান বিক্রি করেছেন। একই ভাবে অন্যান্য দোকানেও ফ্যানের বিক্রি বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত দাম বাড়েনি।

বিরামপুরস্থ দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান বলেন, এই সমিতিতে ৮০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ মিলছে ৩৫-৪০ মেগাওয়াট। যে কারণে গ্রাহকদের পড়তে হচ্ছে লোড শেডিংয়ের কবলে।