রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের জুলাই মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা সোমবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) নরেশ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মারুফ আহমেদসহ বিভিন্ন জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার, অফিসার ইনচার্জ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জুলাই মাসের অপরাধ পরিস্থিতি, মামলা, গ্রেফতার, মাদক ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। জুলাইমাসে রংপুর মেট্রোপলিটনের ছয়টি মাসে থানায় বিভিন্ন অপরাধে ১৩৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ১৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬০টি মাদক মামলায় ৮০ জন এবং ১১১টি নন-এফআইআর মামলায় ১৬৯ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে সাঢ়ে ১১ কেজি গাঁজা, ৬৩১ পিস ইয়াবা, ৪১ গ্রাম হেরোইন, ৩০ পিস ট্যাপেন্ডল, ৭২ বোতল এসকাফ ও ২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫০ টাকা।
এছাড়া অভিযানে একটি অটোরিকশা, একটি পিকআপ, একটি ট্রাক, ২০৯ প্যাকেট ওষুধ, ৩০ কেজি গ্যাস সিলিন্ডার ও ২ কেজি তামার তার উদ্ধার করা হয়েছে।
সভায় পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার, অপরাধের মূল হোতা ও চোরাই মালামালের নেটওয়ার্ক শনাক্ত, মোটরসাইকেল চোরচক্রের তালিকা হালনাগাদ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত অপরাধে দ্রুত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তে বস্তুনিষ্ঠতা, গুণগত মান ও বিচারিক কার্যক্রমের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদকবিরোধী অভিযান, চুরি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।