নিজস্ব প্রতিবেদক:
রংপুরের গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি শারদীয় দুর্গাপূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুদান প্রদান করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু। রোববার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে এ অনুদান প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব সবার মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে। গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের সব ধর্মের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সেটিই আমার প্রত্যাশা। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১৯টি পূজামণ্ডপে অনুদান দিতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”
উপজেলা শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির সহসভাপতি শ্যামল রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বুলু মিয়া, উপজেলা শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নির্মল রায়, সহকোষাধ্যক্ষ সুরেশ রায়সহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির নেতারা।
এ সময় উপজেলা শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায় বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য বন্ধন। গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলুর ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুদান প্রদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাঁর এ সহযোগিতা পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজনে উৎসাহ জোগাবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে। সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনের পথ আরও সুগম হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের ১৯টি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।