রংপুরে মানহীন পণ্য বিক্রি ও খাদ্যে রাসায়নিক ব্যবহারের দায়ে ব্যবসায়ীর ২ লাখ টাকা জরিমানা, ৪৫ দিনের কারাদণ্ড

2026-10-26 21:23:52
news-picture

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অনুমোদনহীনভাবে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার, মানহীন পণ্য বিক্রি ও গুদামজাতকরণ এবং খাদ্যপণ্যে রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগে রংপুর নগরীর দক্ষিণগঞ্জে যৌথ অভিযান চালিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও রংপুর জেলা প্রশাসন।

অভিযান শেষে দানিছ ট্রেডার্সের মালিক দানিছ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের ফিল্ড অফিসার মারুফা বেগম জানান, দানিছ ট্রেডার্সের মালিক দানিছ মিয়া দীঘূ দিন ধরে অনুমোদনহীনভাবে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার বিভিন্ন খাদ্য পণ্য প্রস্তত ও বাজারজাত করে আসছে। সোমবার দুপুরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও রংপুর জেলা প্রশাসনের এক যৌথ দল তার উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের কারখানায় পরিদর্শনে গেলে সেখানে নোংরা পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন করতে দেখা যায়।

পরে তার গোডানে গিয়ে বিপুল পরিমান অনুমোদনহীন বিএসটিআইয়ের লোগো লাগানো বিভিন্ন নামের শিশু খাদ্য   পাওয়ায়। পরে সেগুলো কাগজপত্র চাইলে তিনিতা দেখাতে পারেন নাই। মানহীন পণ্য বিক্রি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে পণ্যের মান ও খাদ্যনিরাপত্তা-সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী শাহান বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন ধারায় দানিছ ট্রেডার্সের মালিক দানিছ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৪৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানার টাকা দিতে না পারায় দানিছ ট্রেডার্সের মালিক দানিছ মিয়াকে আটক দেখানো হয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী শাহান জানান, প্রতিষ্টনটির মালিক দানিছ মিয়া দীর্ঘ দিনে ধরে এই মানহীন পণ্য বাজারজাত করে আসছে। বিষটি আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় এবং আদালতের কাছে দোষ স্বীকার করায় আদালত রায় প্রদান করেন।

মানহীন পণ্য বাজারজাতকরণ ও খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।