৬ শ্রাবণ, ১৪৩১ - ২১ জুলাই, ২০২৪ - 21 July, 2024
amader protidin

কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র বিপৎসীমার উপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আমাদের প্রতিদিন
2 weeks ago
16


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর কুড়িগ্রামে কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে জেলার ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি দ্রুত বৃদ্ধির কারণে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা অববাহিকার নিচু এলাকার প্রায় ৮০টি চর-দ্বীপচরের চারপাশে পানি প্রবেশ করেছে।  যার ফলে এসব এলাকায় ২য় ধাপে একটি স্বল্প মেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশংকা নদী তীরের বাসিন্দাদের। এছাড়াও দুধকুমার ও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার(৩ জুলাই) সকাল ৯ টায় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র দেয়া তথ্য বলছে,গত ২৪ ঘন্টায় ধরলা নদীর পানি তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ৪৯ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১১ সে.মি. ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ৫৫ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে,তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৩৫ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩১ সে.মি ও দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ৫৩ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা আর দু-একদিন থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার কারণে আগামী ২৪ ঘন্টায় তিস্তা ও দুধকুমার বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে । যার ফলে জেলায় ২য় ধাপে স্বল্প মেয়াদী বন্যা দেখা দেবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন,’বন্যা মোকাবেলায় আমাদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ চলমান। চারশত আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। যেদিকে প্লাবিত হচ্ছে আমরা সেদিকেই নজর রাখছি।’

সর্বশেষ

জনপ্রিয়