গঙ্গাচড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি উন্নয়ন নিয়ে পৃথক সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে পৃথক দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ মে) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুম ও উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সভা দুটি আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রায়হান সিরাজী। সভায় হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ওষুধ সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মোঃ আলেমুল বাশার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম, গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ সরকার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোঃ নায়েবুজজামান নায়েব, জামায়াত নেতা শোহাইবুর রহমান এবং মিডিয়া বিভাগের প্রধান আশরাফুল ইসলামসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা হাসপাতালকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সভায় হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শেষে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে একই দিনে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মোঃ রায়হান সিরাজী। তিনি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের সেবার মানোন্নয়নে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রুবেল হোসেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নায়েবুজজামান নায়েব, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি শোহাইবুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা হালিম, মিডিয়া বিভাগের প্রধান আশরাফুল ইসলামসহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সভায় কৃষি খাতের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।
দুই সভাতেই সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।