৯ ফাল্গুন, ১৪৩০ - ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ - 21 February, 2024
amader protidin

ব্যাংকিং লেনদেনে চরম ভোগান্তিতে রাবি শিক্ষার্থীরা

আমাদের প্রতিদিন
3 weeks ago
80


রাবি প্রতিনিধি:

ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফি তাদের জমা দিতে হয়। অথচ টাকা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ডিজিটাল করলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হত না। এছাড়া ক্যাম্পাসেই রয়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ব্যাংকের শাখা। প্রতিটি ব্যাংকেই টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা থাকলে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার দীর্ঘ লাইনটা হয়ত খুব সহজেই দূর হয়ে যেত।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বলেন, রাবির সিস্টেম আর উন্নত হল না। তারা চাইলেই ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ডিজিটাল করতে পারে কিন্তু তারা সেটা করছে না। তারা সকল বিষয় জেনেশুনেও আমাদেরকে যন্ত্রণা দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম আর উন্নত হলো না। আমাদের উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তার স্যার ৬৫তম ব্যাচের হল সমাপনীতে বক্তব্যের মাঝে বলছেন রাবি নাকি ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ আমি আজ ১০২ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে জিয়া হলে গেলাম সেখান থেকে এসে অগ্রণী ব্যাংকে জ্বর নিয়েই লম্বা লাইনে দাড়িয়ে ২ ঘন্টায় হল ফি দিলাম। তারপর ফরম ফিলাপ করে ডিপার্টমেন্টে যাওয়া সেখান থেকে আবার হল যা ছাত্রদের জন্য দুর্বিসহ। এমন কোন শিক্ষার্থী নাই যে বলতে পারবে ও একদিনে সকল কাজ শেষ করতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, হলের কাজ শুনলেই সবাই বলে ২ দিন লাগবে। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল হলো কিভাবে।আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা এর প্রতিকার চাই। এই সিস্টেম ডিজিটাল করা হলে আমরা ঘরে বসেই ফোনে সব কাজ করতে পারবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল আলম তন্ময় বলেন,' রাবিতে যখন ভর্তি হয়েছি তখন অনেক কষ্ট করে বিভিন্ন ভবনে স্লিপ নিয়ে লাইনে দাড়িয়ে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছি। দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিতে হয়। যা আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টদায়ক।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, 'আমরা অলরেডি ব্যাংক কতৃপক্ষকে এ বিষয়ে বলেছি যাতে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি না হয়। শিক্ষার্থীদের দাড়ানোর জন্য তাদেরকে বাড়তি জায়গাও নিতে বলেছি। এছাড়া বাকি দুটি ব্যাংকের সাথেও কথা বলেছি। আশা করি শিক্ষার্থীরা বাকি দুটি ব্যাংক থেকে খুব দ্রুতই সেবা নিতে পারবে।

ডিজিটালাইজ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সফটওয়্যার তৈরির কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে তাদের সেবা নিতে পারবে।'

সর্বশেষ

জনপ্রিয়