১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ - ৩০ মে, ২০২৪ - 30 May, 2024
amader protidin

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে গঙ্গাচড়ায় ১২০ পরিবারের ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়

আমাদের প্রতিদিন
1 month ago
217


গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ১২০ টি পরিবার আজ বুধবার  ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে।  আজ  (১০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া জামে মসজিদে এই ঈদের জামাতটি অনুষ্ঠিত হয়।  

ঈদের নামাজ পড়ান ঈমাম আব্দুল বাতেন।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৮৬ সালে বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুর রশীদ বাদশা ঈমাম হয়ে ২০ থেকে ৪০জন মুসল্লিকে সাথে নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা এবং ঈদ উদযাপনের এই প্রথা প্রথম শুরু করেন। তখন থেকেই তার মৃত্যুর পূর্ব সময় পর্যন্ত তিনি এ প্রথা চালিয়ে যান। ২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে মাওলানা আব্দুল বাতেন তার বাবার শুরু করা এই প্রথা ধরে রেখেছেন। বাবার মৃত্যুরপর  মাওলানা আব্দুল বাতেন ঈমাম হয়ে ১২০টি পরিবারকে সাথে নিয়ে সৌদি আরবের সাঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছেন। তাদের এই জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে আশপাশের গ্রাম ও শহর থেকে আসা প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনসহ মোট ১৪০ জন মুসল্লি অংশ নেন।

রংপুর নগরীর শালবন বৈশাখীর মোড় এলাকা থেকে আসা শাহাজান মিয়া (৪৫) জানান,‘ আমার বাবা মাওলানা আব্দুর রশীদ বাদশা হুজুরের সাথে ঈদের জামাত আদায় করতেন আমি তখন অনেক ছোট ছিলাম বাবা আমাকে সাথে নিয়ে এখানে ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য আসতেন । তখন থেকে আমিও এখানে বছরে দুই বার ঈদের নামাজ আদায় করতে আসি। আমার জানা মতে শুধু গঙ্গাচড়ার এই গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়।

এবিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুমুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড়বিল ইউনিয়নের একটি গ্রামের প্রায় ১২০টি পরিবার 

প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তারা যেন সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে নামাজ আদায় করতে পারেন এজন্য আমরা আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলাম।

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়