লালমনিরহাট ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে,গণসংযোগে ব্যস্ত শাহ আলী পরিবহনের চেয়ারম্যান ফরিদ হোসেন
খাজা রাশেদ,লালমনিরহাট:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, লালমনিরহাট- ৩ (সদর) আসনে বিভিন্ন দল থেকে, ৬ জন প্রার্থী প্রতিদন্বীতা করছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারনা ও আলোচনার দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন, বিএনপি মনোনীত-ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক উপমন্ত্রী, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
কারণ হিসেবে এখানকার সাধারন মানুষ বলছেন,তিস্তা নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী, আলোকিত লালমনিরহাটের রূপকার এ অঞ্চলের মাটি ও মানুষের নেতা অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। যিনি এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে, বিগত ২০০১-২০০৬ সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত করেন।
এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে,দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিতে দিনরাত নিরলসভাবে মিটিং-মিছিল,প্রচার-প্রচারনা,গণসংযোগ,উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন ধানের শীষের পক্ষে। প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। এসব কর্মসুচিতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি, প্রচারের শুরু থেকেই পছন্দের প্রার্থীর বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করছেন, বিশিষ্ট্র ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, সুনামধন্য শাহ আলী পরিবহনের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হোসেন।
প্রচারনার অংশ হিসেবে,প্রতিদিনই সদর উপজেলার ১ টি পৌরসভা ও ৯ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা,ওলি-গলি,হাট-বাজার ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর পক্ষে। প্রার্থীর পক্ষে তাদের দিচ্ছেন নানান রকম প্রতিশ্রুতি ও।
নিজের ব্যস্ততার মাঝে ও কেনো ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুুর জন্য এতো দৌড়ঝাঁপ এমন প্রশ্নে শাহ আলী পরিবহনের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন, বিগত সময়ে এখান থেকে যারা সংসদে ছিলেন, এলাকার উন্নয়নের কোনো লক্ষ্য ছিলো না তাদের। যে কারণে, দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত এখানকার মানুষ। আসন্ন নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ আসনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী ভোটের মাঠে লড়ছেন। আমার দৃষ্টিতে এদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী তথা সার্বিক বিবেচনায় সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন, আলোকিত লালমনিরহাটের রুপকার, এখানকার মাটি ও মানুষের নেতা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
যিনি বিগত সময়ে এখানে অনেক উন্নয়ন করেছেন। এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি, তিস্তা নদী বাঁচাও আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব নেওয়ার মধ্যে দিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে জেলার লাখ লাখ মানুষ। দীর্ঘদিন যিনি ক্ষমতার বাইরে থেকেও সবসময়ই ছিলেন জনগণের মাঝে। উন্নয়নের পাশাপাশি, সামনে থেকে সামাজিক আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রদান ও
মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকার কারণে আমার সাথে সাথে সকল শ্রেণি-পেশার ভোটারদের প্রথম পছন্দের প্রার্থীর নাম অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
এ কারণে,আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে, ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।