১০ ফাল্গুন, ১৪৩০ - ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ - 22 February, 2024
amader protidin

বিরলে অবৈধ মজুদ বিরোধী অভিযানে ধানের গোডাউন সিলগালা

আমাদের প্রতিদিন
1 month ago
105


আতিউর রহমান, বিরল:  

বিরল পৌরসভার পাইকপাড়া এলাকায় মেসার্স ওরিয়েন্টাল এগ্রো নামীয় প্রতিষ্ঠানের দুইটি গোডাউনে অবৈধভাবে ১ মাসের অধিক সময় ৩শত মেট্রিকটন এর বেশি ধান মজুদ রাখার অপরাধে অভিযান পরিচালনা করে ১ টি গোডাউন সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনাকালে বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বহ্নি শিখা আশা উপস্থিত হয়ে এক মাসের অধিক ধান মজুদ রাখার অপরাধে গোডাউন সিলগালা করে লাইসেন্স বাতিল ও নিয়মিত মামলা দায়ের এর নির্দেশনা দেন।  অভিযান পরিচালনাকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিরল অফিসার ইনচার্জ গোলাম মাওলা শাহ, সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক (দিনাজপুর) মোহন আহমেদ, দিনাজপুর সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ৃন্ত্রক (কারিগরী) ফিরোজ আহমেদ, দিনাজপুর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সিংহ, বিরল উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ আতোয়ার হোসেন, সিএসডি দিনাজপুর এর খাদ্য পরিদর্শক আমিরুল ইসলাম, বিরল খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর রাহাদ রুমন প্রমূখ।

দিনাজপুর জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান, গতকাল ১৭ জানুয়ারী বুধবার মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী জরুরী সভার মাধ্যমে আমাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অবৈধভাবে মজুদ এর কারণে ধান ও চালের দাম অনিয়ন্ত্রিতভাবে যাতে করে বেড়ে না যায় সেজন্যই নিয়মিত মজুদ বিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এই গোডাউনে ৬ মাস ধরে অবৈধভাবে ধান মজুদ রয়েছে সে অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং আমরা প্রমান পাই এই তার লাইসেন্স এ যে পরিমান মজুদ কেপাসিটী রয়েছে তার অধিক ৩শ মেট্রিক টন এর অধিক ধান মজুদ করেছেন এবং তার নির্ধারিত সময় একমাস কিন্তু সে গোডাউনে ৬ মাসের অধিক সময় ধরে বোরো মৌসুমের ২৮-জাতের ধান মজুদ রেখেছেন। বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বহ্নি শিখা আশা অভিযান পরিদর্শন করে গোডাউন সিলগালা করে লাইসেন্স বাতিল ও নিয়মিত মামলা দায়ের এর নির্দেশনা দিয়েছেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত মহামান্য আদালত গ্রহণ করবেন।

মেসার্স ওরিয়েন্টাল এগ্রো এর স্বত্ত¡াধিকারী মুসাবভির রফিক মতি জানান, আমার লাইসেন্স অনুযায়ী ৩শ মেট্রিক টন ধান মজুদ রাখার অনুমতি রয়েছে সে অনুযায়ী আমার গোডাউনে ৩শ টনের কম ধান আমি মজুদ রেখেছি যা অধিকাংশই আমার নিজের জমির ধান সামান্য কিছু ধান কৃষকের রয়েছে।

  

সর্বশেষ

জনপ্রিয়