৯ ফাল্গুন, ১৪৩০ - ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ - 21 February, 2024
amader protidin

আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরূদ্ধে যৌন হয়রানী ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ

আমাদের প্রতিদিন
3 weeks ago
127


গঙ্গাচড়া(রংপুর)প্রতিনিধি:

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার গোলজার হোসেনের বিরূদ্ধে যৌন হয়রানী ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এসব ঘটনার ভুক্তভোগীরা হচ্ছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে অংশ নেয়া ভিডিপি মহিলা ও পুরুষ সদস্যরা। 

একাধিক ভিডিপি সদস্যদের অভিযোগে জানা গেছে,

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব পেতে ইউনিয়ন কমান্ডারদের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা থেকে ২হাজার ৫শত টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দিতে হয়েছে অনেককে। 

এ সময় ওই কর্মকর্তা কয়েকজন মহিলা ভিডিপি সদস্যকে যৌন মিলনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন।

কোলকোন্দ ইউনিয়নের ভুক্তভোগী এক নারী জানান, এই অফিসার আমাকে নির্বাচনের ডিউটি দেওয়ার কথা বলে অফিসে ডেকে আমার গায়ে হাত দেয়। পরে আমি তার গালে থাপ্পর মেরে সেখান থেকে চলে আসি। 

মর্ণেয়া ইউনিয়নের জাহেদা নামে আর এক নারী জানান, স্যার আমি এই ঠান্ডাত এতো কষ্ট করি ডিউটি করি  আমাক সে ১৫শ টাকা  দেয় আমি নেই নাই। এজন্য আমাকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে।

এ ছাড়াও অনেককে নির্ধারিত মোট ৬ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ টাকা গ্রহনে অসম্মতি জানালে মহিলা ভিডিপি সদস্যসহ অনেককে বিভিন্ন অশালীন গালিগালাজও হজম করতে হয়েছে। নাম প্রকাশ হলে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগকারীরা জানান, বিগত নির্বাচনে ১ হাজার ৪৪ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যের ৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদানকালে অনেকেই অনুপস্থিত ছিলেন। 

ওই অনুপস্থিত ব্যক্তিদের নামে ওই কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন কমান্ডারদের স্বজনদের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছেন। এসব মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ভাতার টাকা উত্তোলন করে সংশ্লিষ্ঠ কতিপয় অসাধু কমান্ডারগণসহ উত্তোলনকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা। যা বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব। তাই ওই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরূদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন ভূক্তভোগী অভিযোগকারীরা।

নারীদের যৌন হয়রানী বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, ওই অফিসারকে এসব বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।  সে সাথে এই উপজেলা থেকে তাকে দ্রুত বদলী নিয়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। 

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়