৩ বৈশাখ, ১৪৩১ - ১৬ এপ্রিল, ২০২৪ - 16 April, 2024
amader protidin

ডোমারে সড়ক নির্মানে নানা অনিয়ম, এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি

আমাদের প্রতিদিন
2 weeks ago
47


ডোমার নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডোমারে সড়ক নির্মানে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সড়ক নির্মানে নিম্নমানের কাজ করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ০৯ নং সোনারায় ইউনিয়নের বসুনিয়া হাটের মাছ হাটি খাটুরিয়া ডাংগাপাড়া সড়কে ৯০ মিটারে হিরিং বোর্ডে কাজ চলছে। ওই সড়কের ৯০ মিটারের জন্য বরাদ্ধ চার লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা।

ওই এলাকার বাসিন্দা মৃত মফিজার রহমানের পুত্র হামিদার রহমান চৌধুরী (৫০) বলেন, এমন ফাঁকা করে ইট বসানো হচ্ছে, সহজেই মানুষ ইট তুলে নিয়ে যাবে।এর কারণে একদিকে যেমন লেবার, ইট কম লাগছে, নীচের সলিং এ আরও ফাঁকা করে ইট বসানো হয়েছে। রাস্তা করা আর না করা একই ব্যাপার। কয়েক দিনের মধ্যে সব ইট চুরি হয়ে যাবে। আর ফাকা না রাখলেই কেউ ইট চুরি করতে পারতো না। সড়কের পাশে (এজিং) এর জায়গায় মাটিও ঠিকমতো নাই।

বসুনিয়া হাটের দক্ষিণ দিকে (গরু হাটী) ভেপু দিয়ে গভীর গর্ত করে বালি তোলা হচ্ছে। ওই বালি সড়কে দেওয়া হচ্ছে। এলাকাবাসীর ধারণা ওই গর্ত গভীর করার প্রকল্পও হাতে নেওয়া হচ্ছে। এক ঢিলে তিন পাখি মারার ব্যবস্হা করা হবে।

বসুনিয়া হাটের গর্ত সংলগ্ন কবলা জমিতে বাড়ী করে আছেন মৃত খয়চালুর পুত্র সুবল দাস (৫৫)। পেশায় ওই হাটের হরিজন সুইপার । তিনি বলেন,এই গর্ত করার কারণে আমার বাড়ি ভেঙ্গে যাবে, হাটের সরকারি ইউ ড্রেন ভেঙ্গে যাবে, কবরস্থান ভেঙ্গে যাবে। আগের চেয়ারম্যান প্রকল্প নিয়ে গর্ত ভরাট করেছে।আর বর্তমান চেয়ারম্যান ওখানে গভীর গর্ত করছে।

বসুনিয়া হাটের গরু হাটি থেকে চিকার হাট সড়ক পযর্ন্ত ৫০ মিটার লম্বা ১০ ফুট চওড়া সড়কের নির্মান কাজ চলছে। সেখানেও একই অবস্থা।

ওই হাট সংলগ্ন এলাকার মৃত শওকত আলী মাষ্টারের পুত্র দেলোয়ার হোসেন (৫৫) বলেন,আপনি নিজেই দেখেন কত ফাঁকা করে সলিং বিছানো হয়েছে।

এবিষয়ে ০৯ নং সোনারায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফিরোজ চৌধুরী বরাদ্বের তথ্য দিয়ে ও সব অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আপনি যখনই গেছেন, তখনই ফোন দিয়ে বলে দিয়েছি, কাজ ঠিক করে করতে। পাচঁ লাখের নীচে বরাদ্ধ, তাই কোটেশন দিয়ে কাজগুলো করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ নাজমুল আলম বিপিএএ বলেন, আমি ইন্জিনিয়ার পাঠাছি, এখনও বিল দেওয়া হয়নি, বিষয়টি দেখছি।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়