৩ আষাঢ়, ১৪৩১ - ১৮ জুন, ২০২৪ - 18 June, 2024
amader protidin

দিনাজপুরে বাবা ও ছোটভাইকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদন্ডাদেশ

আমাদের প্রতিদিন
9 months ago
174


দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুরে বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায় ও ছোটভাই নোহারাম রায়কে একসাথে হত্যার দায়ে বাঞ্চারাম রায় (৫৭) নামে এ ব্যাক্তির মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। আজ মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শ্যাম সুন্দর রায় এই আদেশ দেন। একই সাথে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট রবিউল ইসলাম রবি।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী বাঞ্চারাম রায় দিনাজপুর সদর উপজেলার আমইর গ্রামের মৃত বঙ্কিম চন্দ্র রায় ওরফে বলরাম রায়ের ছেলে। রায় ঘোষনার সময় আসামী বাঞ্চারাম রায় পলাতক ছিলো। 

মামলার বিবরনে জানাযায়, দিনাজপুর সদর উপজেলার আমইর গ্রামে বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায়ের  জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই বিরোধ চলে আসছিলো তার দুই ছেলে বাঞ্চারাম রায় ও নোহারাম রায়ের। এক পর্যায়ে বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায় বার্ধক্যজনিত কারনে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় গত ২০০৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় ছোট ছেলে নোহারাম রায় বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায়কে বাড়ীর আঙ্গিনায় প্র¯্রাব করতে নিয়ে যায়। এসময় বড় ছেলে বাঞ্চারাম রায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায়কে আঘাত করে। এতে ছোট ছেলে নোহারাম রায় বাধা দিলে বাঞ্চরাম রায় তাকেও ওই অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় দু’জনকেই দিনাজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষনা করেন।

এই ঘটনায় নিহত নোহারাম রায়ের স্ত্রী কুমুতি রানী রায় বাদী হয়ে স্বামী ও শশুরকে হত্যার অভিযোগে ভাশুর বাঞ্চারাম রায়ের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালতে মামলার স্বাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে মঙ্গলবার বিচারক বাবা বঙ্কিম চন্দ্র রায় ও ছোটভাই নোহারাম রায়কে হত্যার দায়ে উপরোক্ত আদেশ প্রদান করেন। আসামী পলাতক থাকায় বিজ্ঞ বিচারক আদেশ দেন-আসামী আদালতে আত্মসমর্পন বা গ্রেফতারের পর উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট হাসনে ঈমাম নয়ন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।  

 

 

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়