৯ আষাঢ়, ১৪৩১ - ২৩ জুন, ২০২৪ - 23 June, 2024
amader protidin

চিলমারীতে মৃদু শৈত প্রবাহ তীব্র শীতে নাকাল জনজীবন

আমাদের প্রতিদিন
5 months ago
168


চিলমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ

পৌষ মাসের শেষে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় হিমালয়ের পাদ্বদেশ খ্যাত কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মৃদৃ শৈত প্রবাহের ফলে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। গত ১সপ্তাহ ধরে কনকনে শীতে নাকাল উপজেলার জনজীবন।বিশেষ করে এই শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন-আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা। আবহাওয়াবিদরা বলছেন,আরো কয়েকদিন শৈত প্রবাহ ও শীতের তীব্রতা থাকবে। এছাড়াও আগামী ১৮/১৯ জানুয়ারী হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারীভাবে কম্বল বরাদ্দ থাকলেও সংখ্যায় কম হওয়ায় তা ঘটা করে বিতরণ করতে দেখা যায়নি। 

আজ রোববার সকাল নয়টার দিকে এই উপজেলার তাপমাত্রা ১২ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত ১সপ্তাহ থেকে উত্তরের এই জনপদে বৃষ্টির মতো গুড়ি গুড়ি কুয়াশা পড়ছে।কদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। প্রায় সারাদিনই থাকছে কুয়াচ্ছন্ন সাথে মৃদু হাওয়া সবমিলিয়ে হাড় কাপনো ঠান্ডা। ফলে ঠান্ডা ও ঠান্ডার উপসর্গজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছেন শিশু ও প্রবীনরা। হাড়কাঁপানো শীতের হাত থেকে রক্ষার জন্য খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন অনেকে।বিশেষ করে এই শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন-আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা।শনিবার রাতে উপজেলা শহরের ভীতরে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন ব্যবসায়ী কর্মচারীকে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে।

উপজেলার পাত্রখাতা এলাকার কৃষক লিয়াকত আলী ও সবুজপাড়া এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান জানান,কনকনে শীতের কারণে বোরো বীজতলা ও আলুসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

সরকারীভাবে কম্বল বরাদ্দ থাকলেও সংখ্যায় কম হওয়ায় তা ঘটা করে বিতরণ করতে দেখা যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সুত্রে জানা গেছে,অসহায় শীতার্তদের জন্য দুই দফায় ৩হাজার ১১০টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত কম্বল ঘটাকরে শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করতে দেখা যায়নি। 

রাজারহাট উপজেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন,রোববার সকাল নয়টায় তাপমাত্রা ১২ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মো.মঞ্জুরুল ইসলাম জানান,তার ইউনিয়নবাসীর জন্য দুই দফায় তিনি ৩৬৫টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছে যা চাহিদার তুলনায় অতি নগন্ন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোর্শারফ হোসেন জানান,গত নভেম্বর মাসে ২হাজার ৪৫০ খানা ও কয়েকদিন আগে ৬৬০খানা কম্বল পাওয়া গিয়াছে যা ইউনিয়ন ভিত্তিক বিভাজন করে দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়