১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ - ২৫ মে, ২০২৪ - 25 May, 2024
amader protidin

রংপুরের বিভিন্ন স্থানে খুরা রোগের প্রাদূর্ভাব, দুশ্চিন্তায় খামারিরা

আমাদের প্রতিদিন
1 month ago
49


নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুর মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে খুরা রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত খুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১১টি গরু। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে  কয়েক শতাধিক। ভাকসিন ও চিকিৎসা সেবা কোন কাজেই আসছে না। একারণে গরু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন খামারিরা। তারা সরকারি ভাবে ভাকসিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

খেঁাজ নিয়ে জানাগেছে, রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ছোট রংপুর এলাকার রোকসানা বেগমের ৫টি, দিলিপ চন্দ্রের দুইটি, সাজু মিয়ার দুইটি, বাবুল মিয়ার দুইটি উন্নত মানের গরুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বড় রংপুর, জোড়ইন্দা, সাতমাথা, মাহিগঞ্জসহ হারাগাছ, তামপাট ও পীরগাছা, কাউনিয়া এলাকায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব গেছে। এতে অনেক খামারি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

কয়েকজন খামারি জানান, গরুর যে হারে খুরা রোগ দেখা দিয়েছে তাতে আমরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ এবারের খুরা রোগ প্রতিবছরের মতো নয়। মারাত্মক শক্তিশালী। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে ভাকসিন সরবরাহ সহ মনিটরিং দাবি করেন।

বিষয়ে প্রাণি সম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা আবু হানিফ জানান, এবারের খুরা রোগের ধরণ ভিন্ন ও শক্তিশালী। গরু আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং জাবর কাটা বন্ধ করে দেয়। গায়ে মাত্রারিক্ত জ্বর থাকে। জিব্বা ও পায়ের ক্ষত দেখা যায়। বর্তমানে এসকল আক্রান্ত গরুকে ভাকসিন দিয়ে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে গরু এ রোগে আক্রান্ত হবার আগে বছরে দুই বার ৬ মাস পরপর খুরা রোগের ভাকসিন প্রয়োগ করা প্রয়োজন। এতে রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তারা সব ধরণের পরামর্শ দিচ্ছে খামারিদের।

এদিকে ক্ষুরা রোগের ভাকসিন অধিক মূল্যবান ফলে সবার পক্ষে এই ভাকসিন ক্রয় করে গরুকে প্রয়োগ করতে পারে না। সরকারিভাবে ভাকসিন প্রয়োগ করা হলে খুরা রোগ থেকে গরু রক্ষা পাবে বলে খামারিরা মনে করেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়