৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ - ১৮ মে, ২০২৪ - 18 May, 2024
amader protidin

বাবাকে বেধড়ক পিটিয়ে টাকা ছিনতাই ও বসতবাড়ি ভাঙচুর

আমাদের প্রতিদিন
2 weeks ago
77


বায়েজিদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা):  

যে বাবা-মা সন্তানকে মানুষ করেছেন, তারাই বাবাকে মেরে রক্তাক্ত করে ছিনতাই করে নেন চিৎকিসার ২ লক্ষ টাকা।

ঘটনাটি ঘটেছে,  ২১ এপ্রিল রবিবার অনুমানিক দুপুর ২.০০ দিকে।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পৌরসভার অন্তরগত পলাশগাছী গ্রামে মৃত খতি শেখের ছেলে নজির হোসেনের (৯৩) উপর হামলা করেছে তার নিজ সন্তান হাবিবুর রহমান (৫৫), তার স্ত্রীসহ সন্তানরা। নজির হোসেনের ৪ ছেলে ও ৫ মেয়ে।

ছেলেদের মধ্যে তার কিছু সম্পত্তি ভাগ বন্টনসহ লিখিয়া দিয়েছে। তার ছেলেরা তাকে দেখা শুনা না করায় নজির হোসেনের চিৎকিসা করার জন্য তার নামীয় কিছু জমির অংশ বিক্রি করে দেন। আর তাতেই গায়ে জ্বালা শুরু হয় তার মেজ ছেলে হাবিবুর রহমানের। খারাপ ব্যবহার শুরু করে দেয় যখন তখন।

নজির হোসেন বলেন,  মেজ ছেলে ও তার স্ত্রী মিনারা বেগম (৫০) তাকে বলতে থাকে যে, আমি মারা না যাওয়া পর্যন্ত আমার বাড়ীতে কোন শান্তি আসিবে নাসহ বিভিন্ন ধরনের উস্কানি মূলক কথাবার্তা বলে এবং আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখায়। আমি বাড়ীতে অতিকষ্টে জীবন যাপন করিতে থাকি।

এমতাবস্থায় গত ২১ শে এপ্রিল রবিবার দুপুর ২ টার দিকে ছেলে ও স্ত্রীসহ নাতীরা বাশের লাঠি, লোহার রড়,পাইপ ও ছোড়া ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রসহ সজ্জিত হইয়া আমার বসত বাড়ীর ভিতর আঙ্গিনায় আসিয়া অকথ্য ভাষায় গালাগালি করাসহ পুনরায় জমি বিক্রি করার কারণে হাবিবুর রহমানের হুকুমে তার স্ত্রী ও নাতীরা আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি মারপিট করিয়া ছেলা ফুলা জখম করে।

হাবিবুরের হাতে থাকা লোহার রড় দিয়ে আমার বাম পায়ের হাটুর নীচে স্বজরে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত হাড়ভাঙ্গা জখম করে এবং বলে আমাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে বলে ঘড় থেকে দৌড়ে গিয়ে ধাড়ালো ছোড়া নিয়ে আমার দু'হাতসহ শরীলের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কোপ দেয়। চিৎকিসার জন্য জমি বিক্রির টাকা ব্যাংকে জমা রাখার জন্য ২ লক্ষ টাকা আমার পাঞ্জাবির ডান পকেট থেকে জোর করে ছিনতাই করে নেয়।

আমি মাটিতে পরে থাকা অবস্থায় হাবিবুর আমার হত্যার উদ্দেশ্য গলা টিপে ধরিয়া শ্বাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করে, আমার চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আমার স্ত্রী ফাতেমা, আমার অন্য ছেলে সাইফুল ও লিপি বেগম, শারমিন বেগম ছুটে আসে।

এরপর তারা পালিয়ে যায় এবং আমাকে ও আমার স্ত্রীকে সুযোগ মত পাইলে আবার মারপিট করবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় আমার ছোট ছেলে ও স্ত্রী আমাকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। বর্তমানে আমি চিৎকিসাধীন আছি।

এ ঘটনায় নজির হেসেনের সাক্ষরিত একটি এজাহার গত ২৪শে এপ্রিল বুধবার আমার ছোট ছেলে ইউনুস আলীর মাধ্যমে পলাশবাড়ী থানায় প্রেরণ করি।

পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো আজমিরুজ্জামান বলেন, নজির হোসেনের সাক্ষরিত একটি কপি, ইউনুস আলী নামে তার ছোট ছেলে পরিচয় দান কারি থানায় জমা দিয়েছে , আমরা খুব তাড়াতাড়ি এর ব্যবস্তা গ্রহন করবো।

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়