৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ - ১৮ মে, ২০২৪ - 18 May, 2024
amader protidin

রংপুর অঞ্চলে বোরো ধানের বাম্পার ফলন

আমাদের প্রতিদিন
1 week ago
53


স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিবে এমন কারও সহযোগিতা পাচ্ছেন না কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নানা প্রতিকুলতার মধ্যেই রংপুর মহানগরীসহ জেলা ও এ অঞ্চলের ৫ জেলায় বোরো ধান চাষ করেছিলো কৃষকরা। এবার সেই ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনেকে স্থানে ধান কাটা—মাড়াই শুরু হয়েছে। অনেক কৃষক নিজের জমিতে চাষ হওয়া ধান বাড়িতে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে বিগত বছরগুলোতে অনেক কৃষকের ধান কাটতে স্বেচ্ছাশ্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এগিয়ে আসলেও এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। চলতি বছর স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিবে এমন কারও সহযোগিতা পাচ্ছেন না কৃষকরা। সেই সাথে বেড়েছে শ্রমিকের দাম। এর ফলে কৃষকদের মাঝে চরম হতাশা নেমে এসেছে।

সরেজমিনে রংপুর নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে খেঁাজ নিয়ে জানাগেছে, ধান কাটা, মাড়াই, শুকানোসহ আনুষঙ্গিক কাজে কৃষক—কৃষাণীসহ দিনমজুররাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিছুদিনের মধ্যেই বোরো ধানের ফসলের হাসপাতা মাঠ ফাঁকা হয়ে যাবে। ধান উঠবে কৃষকের ঘরে। এবার বোরে ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। তবে হতাশায় ফেলে শ্রমিকের মুজরি ও সংকট। এবার ধান কাটতে কৃষকের পাশে নেই কেউ।

কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর মহানগরীসহ জেলার আট উপজেলা এবং রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ৮ লাখ ৭ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রংপুর সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার কয়েকজন কৃষক জানান, ধান ঘরে তোলার মুহূর্তে বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির খবরে তাদের উৎকণ্ঠা বেড়েছে। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া থাকায় অন্যান্য বছরের চেয়ে বোরো আবাদ ভালো হয়েছে। কয়েক বছর থেকে অনেকে ধান কেটে দিতেন। সেই সময় তাদেরকে পাশে পেয়ে সহজেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে ধান রক্ষা করতে পেরেছেন। কিন্তু এবার কাউকে পাশে পাচ্ছেন না। সেই সাথে শ্রমিকের মুজুরি ও সংকট থাকায় তারা চরম হতাশায় পড়েছেন।

এদিকে গত সপ্তাহে আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘোষনা করেছিলে মে মাসে বৃষ্টি হবার সম্ভবনা রয়েছে। যেকোন সময় বৃষ্টি নামতে পারে। এই কারণে ধান নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন। 

 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়