৩০ ফাল্গুন, ১৪৩২ - ১৪ মার্চ, ২০২৬ - 14 March, 2026

নগরীতে হিন্দুধর্মীয় ফারাজ আইনে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ

আমাদের প্রতিদিন
1 year ago
299


নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুর মহানগরীর আজিজুল্ল্যাহ মৌজার তালুক বকশি এলাকায় জোর পূর্বক জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমির প্রকৃত মালিক ৪ ভাই। হিন্দুধর্মীয় ফারাজ আইনে তারা এই সম্পত্তির মালিকানা লাভ করেন। ভুক্তভোগীরা এরিষয়ে প্রশাসনসহ সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, রংপুর সিটি কর্পোরেশনভুক্ত আজিজুল্লাহ মৌজার তালুক বকশি এলাকার মনমোহন বর্মণের ছেলে অর্থ্যাৎ জমির মূল মালিক উপেন্দ্র নাথ বর্মণ  দলিল নং- ২০৩৫/০৫/০২/ ১৯৫৯ সালে দলিল মূলে ১৮৭৯৭/২৩ দলিল বন্টননামা পত্র অনুযায়ী ১৯৯২ সালের রেকর্ড মূলে ও খারিজ মূলে হোল্ডিং নং- ১১৪৪, খতিয়ান নং-১১৫৮, ৫১ শতক ২৫ পয়েন্ট জমির মালিক শ্রী সুশংকর বর্মণ, হোল্ডিং নং-১১৪৫, খাতয়ান নং-১১৫৯, ৫১ শতক ২৫ পয়েন্ট জমির মালিক শ্রী দিপক চন্দ্র বর্মণ, হোল্ডি নং-১১৪৭, খতিয়ান নং-১১৬১, ৫১ শতক ২৫ পয়েন্ট জমির মালিক শ্রী সুধা রঞ্জন বর্মণ, হোল্ডিং নং- ১১৪৬, খতিয়ান নং-১১৬০, ৫১ শতক ২৫ পয়েন্ট, জমির মালিক শ্রী যিতেন চন্দ্র বর্মণ, মোট ২ একর ৫ শতক জমি। শ্রী বিণয় চন্দ্র বর্মণ নি:সন্তান হওয়ায় তার ভাই শ্রী বিপিন চন্দ্র বর্মণ হিন্দুধর্মীয় ফারাজ আইনে তিনি ওই সম্পত্তির মালিক হন। এর মধ্যে শ্রী বিপিন চন্দ্র বর্মণের ৫ পুত্রের মধ্যে ১ পুত্র শ্রী বিনয় চন্দ্র বর্মণ এর পুত্র না থাকায় তার সম্পত্তির পুরো অংশ নিম্নবর্ণিত ৪ ভাইয়ের মধ্যে শ্রী মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ, শ্রী সুশংকর বর্মণ, শ্রী যিতেন চন্দ্র বর্মণ, শ্রী সুধা রঞ্জন বর্মণকে সম্পত্তি সমানভাগে ভাগ করে দেন। শ্রী মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মণের মৃত্যুর পর হিন্দু ধর্মীয় ফারাজ আইনে তার ছেলে শ্রী দিপক চন্দ্র বর্মণ উক্ত সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। রংপুর সাব রেজিষ্টার অফিস কর্তৃক বন্টননামা পত্রে ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিশান সনদপত্রে উপরোক্ত ৪ ব্যক্তির নামে সম্পত্তির মালিক দাবিদার বটে। উপেন্দ্র নাথ বর্মণ এর মৃত্যুর পর তার কণ্যা ভাগ্য বর্মণী হিন্দুধর্মীয় ফারাজী আইনে কোন সম্পক্তি পায় না। কিন্তু সে পেশিশক্তি, মামলা হামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি ভোগ দখল করে আছেন। জমিতে প্রভাতি স্কুল রয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেখিয়ে আসছি। কিন্তুু আমরা ওই জমিতে উপস্থিত হলে বিভিন্ন ধরনের প্রাণনাশের হুমকি দেখাচ্ছেন। এ ব্যাপারে আমরা প্রশাসনের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

// Set maxWidth