২৬ পৌষ, ১৪৩২ - ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ - 09 January, 2026

ঘোড়াঘাটে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

1 day ago
57


ঘোড়াঘাট প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরিষা হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ। হলুদ রাজ্যে মুখরিত মৌমাছির দল। মাঠজুড়ে সরিষা ফুলের অপরূপ ঘোড়াঘাট কৃষকের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। এ যেন ফসলের মাঠ নয় বরং কৃষকের স্বপ্নের রাজ্য। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া সরিষা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এবং ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা দিন দিন সরিষা চাষে ঝুঁকে পড়ছে। একসময় অব্যাহত লোকসান গুনতে থাকায় সরিষা চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন চাষিরা এখন স্বপ্ন দেখছেন বাম্পার ফলনের। গত বছর স্থানীয় বাজারে উন্নত জাতের সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় এবারও সরিষা চাষে বেশি আগ্রহী তারা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় চলতি মৌসুমে উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নে একটি পৌরসভায় বারি-১৮ জাতসহ বারি-১৪, ১১ বারি-১৭, ও বিনা ৯ ও১১জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে ২ হাজার ২ শত হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সরিষার চাষ করেছেন কৃষকেরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়-ফসলের মাঠগুলো সরিষা ফুলের হলুদ রঙে অপরূপ শোভা ধারণ করেছে। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের সমারোহ। যেন হলুদের হাসিতে ফসলের মাঠ। মাঠে পরিচর্যা, সেচ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। পালোগাড়ী গ্রামের মিলন বলেন সরিষা চাষ করতে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা এবং খরচ বাদে ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি। সরিষা চাষের যে সার ব্যবহার করি পরবর্তীকালে বোরো ধান আবাদের সময় সার বেশি দেওয়া লাগে না। এতে আমাদের খরচ কিছুটা কমে। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রফিকুজ্জামান জানান প্রণোদনার আওতায় আমরা ৮ শত কৃষকে বীজ ও সার সরবরাহ করেছি।পাশাপাশি তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও তিনি আরও জানান এ বছর সরিষা রোপনের সময় বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং সরকারি ভাবে প্রনোদনা বরাদ্দ কম থাকায় গত বছরের তুলনায় অল্প পরিমাণ জমিতে সরিষার আবাদ কম হয়েছে। এ বছর সরিষার আবাদ হয়েছে ২ হাজার ২ হেক্টর জমিতে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

// Set maxWidth