১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ - ২৪ মে, ২০২৬ - 24 May, 2026

ঈদুল আজহা সামনে রেখে মুখরিত রাজারহাটের কামারপল্লী

15
2026-05-24 16:09:15

news-picture

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম):

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে(কোরবাণী ঈদ) ঘিরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলের বিভিন্ন বাজার ও কামারপল্লীতে বইছে কর্মব্যস্ততার জোয়ার। বছরের অধিকাংশ সময় কাজের চাপ কম থাকলেও কোরবানির মৌসুম এলেই নতুন প্রাণ ফিরে পায় এই ঐতিহ্যবাহী পেশা। এখন বটি, ছুরি, দা, চাপাতিসহ মাংস কাটার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। টুং-টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে কামারশালাগুলো।

সরেজমিনে রাজারহাট বাজার ও সিংঙ্গারডাবরী বাজারে দেখা যায়, নিজ নিজ দোকান ঘরে বসে কারিগররা তৈরি করছেন নতুন সরঞ্জাম। আবার অনেকে পুরনো ছুরি ও চাপাতিতে শান দিয়ে নতুনের মতো করে তুলছেন। কাজের চাপ এতটাই বেড়েছে যে, অনেকেই নতুন অর্ডার নেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছেন বলে কামাররা জানান।

কামাররা জানান, ঈদুল আজহা তাদের জন্য বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। পশু কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সময়টিকে তারা আয়-রোজগারের প্রধান সুযোগ হিসেবে দেখেন। বছরের অন্য সময়ে কৃষিকাজের সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতের কাজ করলেও আধুনিক প্রযুক্তির কারণে সেই চাহিদা এখন অনেকটাই কমে গেছে।

সিংঙ্গারডাবরী হাটের কামার বিপ্লব কর্মকার বলেন, ‘প্রায় ১৮ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। আগে লাঙ্গল, কাস্তে, কোদাল, কুড়াল তৈরির কাজ বেশি ছিল। এখন সেসব কাজ কমে গেছে। তবে কোরবানির ঈদ এলেই কাজের চাপ বেড়ে যায়। এই সময়ের আয়ের ওপরই অনেকটা বছর চলে।’

লৌহ সরঞ্জাম বিক্রেতা মুরাদ জানান, ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় চাপাতি পর্যন্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এসব সরঞ্জাম শুধু কোরবানির জন্য নয়, দৈনন্দিন নানা কাজেও ব্যবহৃত হয়।

এলাকাবাসীরা জানান, একসময় গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী পেশায় বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে ও আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে সেই চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেকেই পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। তবুও ঈদকে ঘিরে মৌসুমি চাহিদা তৈরি হলে পুরনো অনেক কারিগর আবার কাজে ফিরে আসেন।#

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলের বিভিন্ন বাজার ও কামারপল্লীতে বইছে কর্মব্যস্ততার জোয়ার। বছরের অধিকাংশ সময় কাজের চাপ কম থাকলেও কোরবানির মৌসুম এলেই নতুন প্রাণ ফিরে পায় এই ঐতিহ্যবাহী পেশা। এখন বটি, ছুরি, দা, চাপাতিসহ মাংস কাটার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরি ও শান দেওয়ার কাজে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। টুং-টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে কামারশালাগুলো।

সরেজমিনে রাজারহাট বাজার ও সিংঙ্গারডাবরীহাটে গিয়ে দেখা যায়, নিজ নিজ দোকান ঘরে বসে কারিগররা তৈরি করছেন নতুন সরঞ্জাম। আবার অনেকে পুরনো ছুরি ও চাপাতিতে শান দিয়ে নতুনের মতো করে তুলছেন। কাজের চাপ এতটাই বেড়েছে যে, অনেকেই নতুন অর্ডার নেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছেন বলে কামাররা জানান।

কামাররা জানান, ঈদুল আজহা তাদের জন্য বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌসুম। পশু কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সময়টিকে তারা আয়-রোজগারের প্রধান সুযোগ হিসেবে দেখেন। বছরের অন্য সময়ে কৃষিকাজের সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতের কাজ করলেও আধুনিক প্রযুক্তির কারণে সেই চাহিদা এখন অনেকটাই কমে গেছে।

সিংঙ্গারডাবরী হাটের কামার বিপ্লব কর্মকার বলেন, ‘প্রায় ১৮ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। আগে লাঙ্গল, কাস্তে, কোদাল, কুড়াল তৈরির কাজ বেশি ছিল। এখন সেসব কাজ কমে গেছে। তবে কোরবানির ঈদ এলেই কাজের চাপ বেড়ে যায়। এই সময়ের আয়ের ওপরই অনেকটা বছর চলে।’

লৌহ সরঞ্জাম বিক্রেতা মুরাদ জানান, ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় চাপাতি পর্যন্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এসব সরঞ্জাম শুধু কোরবানির জন্য নয়, দৈনন্দিন নানা কাজেও ব্যবহৃত হয়।

এলাকাবাসীরা জানান, একসময় গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী পেশায় বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে ও আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে সেই চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেকেই পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। তবুও ঈদকে ঘিরে মৌসুমি চাহিদা তৈরি হলে পুরনো অনেক কারিগর আবার কাজে ফিরে আসেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়