রংপুরে বয়িরে প্রলোভনে অবধ্যৈ মলো মশোয় র্গভরে সন্তানসহ,তরুণীকে হতায় প্রমেকিরে মৃত্যু দন্ড
শরফিুল ইসলাম,রংপর:
রংপুরে বয়িরে প্রলোভনে অবধ্যৈ মলো মশো: তরুনীর র্গভে সন্তান, স্ত্রী ও গভরে সন্তানরে স্বীকৃতি চাওয়ায় তরুনী এবং র্গভরে সন্তানকে হত্যা অবশষেে প্রমেকিরে মৃত্যু দন্ড।
স্ত্রীর এবং গভরে সন্তানরে স্বকৃতি দাবি করায় প্রেমিকা শান্তনা খাতুন ও তার গর্ভের সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে মাসুম মিয়া নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।
রোববার সকালে রংপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তবে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ঢাকার আশুলিয়ায় হামিম গার্মেন্টস নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় শান্তনা খাতুনের সঙ্গে মাসুম মিয়ার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্কের ফলে শান্তনা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে তিনি মাসুমকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন।
বিষয়টি এড়াতে মাসুম গোপনে নিজ বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় চলে আসেন। পরে ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই শান্তনা মাসুমের বাড়িতে গিয়ে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন এবং বিয়ে না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন। তখন মাসুম তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
ওইদিন দুপুরে শান্তনাকে ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে একটি আখক্ষেতে নিয়ে যান মাসুম। সেখানে শান্তনাকে হত্যা করা হয়। এ সময় তার গর্ভের সন্তানও নিহত হয়।
ঘটনার পর পীরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুম মিয়াকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। পরে আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইন কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড ছিল। আদালতের এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এই রায় সমাজে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী সুলতান আহমেদ শাহীন বলেন, আমরা মনে করি আসামি ন্যায়বিচার পায়নি। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।