রৌমারীতে যুবলীগ নেতার প্ররোচনায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে নিষিদ্ধ কার্যক্রম যুবলীগ নেতা এরশাদুল হকের প্ররোচনায় এবং করলা চুরির ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিয়ে নাটক সাজিয়ে বিএনপি নেতাসহ ৭ জনের নামে মামলা করার অভিযোগ উঠেছে মাদক ব্যবসায়ী ছালেকা বেগমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করেছেন বলে অভিযোগ উঠে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা এগারোটার দিকে এ মামলার প্রতিবাদে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা বাজারে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, গত ১৪ এপ্রিল সকালে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ছোটধনতলা গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ছালেকা নামের এক মহিলা বংশিপাড়া গ্রামের আমার বড় ভাই ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে। এ সময় গ্রামবাসী তাকে করলাসহ হাতেনাতে ধরে আটকে রাখে। খবর পেয়ে
ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তার স্বামী মাদক ব্যবসায়ী বদিউজ্জামান ছালেকাকে গাছে বেঁধে পেটানোর নাটক করে এবং তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে জানা যায় তারাই এ পেটানোর ঘটনার ভিডিও করে এবং ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। মূহুর্তে ভিডিওটি ভাইরাল হলে পূর্ব শত্রুতার সুযোগ নেন এরশাদুল নামের এক যুবলীগ নেতা। তিনি ওই মহিলা ও তার স্বামীকে মামলা করার জন্য ৩০ হাজার টাকা দিয়ে থানায় পাঠিয়ে দেন। পরে আমাকে জড়িয়ে গ্রামের আরও নিরীহ ৭জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ছালেকা বেগম দীর্ঘদিন ধরে চুরি, মাদক ও দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
প্ররোচনার অভিযোগে যুবলীগ নেতা এরশাদুল হক অস্বীকার করে বলেন, মামলার বাদি ছালেকা বেগমকে কখনও দেখিনি এবং চিনি না। আমাকে জড়িয়ে তারা মিথ্যা কথা রটাচ্ছেন।
তদন্ত ছাড়াই মামলা রেকর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী বলেন, মামলা রেকর্ডের আগে পুলিশ তদন্ত করে না। মামলার পর তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়।