১৬ কার্তিক, ১৪৩৩ - ০১ নভেম্বর, ২০২৬ - 01 November, 2026

গঙ্গাচড়ায় এলজিইডির নারী কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, লটারি বাতিল চেয়ে ৮ ইউপি সদস্যের আবেদন

85
2026-10-31 19:25:40

news-picture

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের (আরআরএমপি) আওতায় রাস্তা মেরামত কাজে নারী উপকারভোগী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত উপকারভোগীদের তালিকা বাতিল করে নতুন করে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের আটজন সদস্য ও সদস্যা।

গত ২৬ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়ে তাঁরা এ দাবি জানান।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছর আরআরএমপি কর্মসূচির আওতায় রাস্তা মেরামত কাজের জন্য নারী উপকারভোগী নির্বাচনে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের মনোনীত প্রার্থীদের অংশগ্রহণে লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচনের বিধান রয়েছে। কিন্তু গত ২০ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যদের অগোচরে এবং এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কয়েকটি ওয়ার্ডের মনোনীত প্রার্থীদের স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আবেদনকারীরা।

আবেদনকারীরা জানান, বিষয়টি নিয়ে গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দুলুর কাছে জানতে চাওয়া হলেও সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর সম্ভাব্য উপকারভোগীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

লিখিত আবেদনে আরও বলা হয়, এ ধরনের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি। তাই নির্বাচিত উপকারভোগীদের তালিকা বাতিল করে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের মনোনীত প্রার্থীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে নতুন করে উপকারভোগী নির্বাচনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান দুলু বলেন, ‘ইউপি সদস্যরা আমার কাছে একটি করে ভাগ চেয়েছিলেন। অর্থাৎ তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী একজন উপকারভোগীর নাম দেওয়ার সুযোগ চেয়েছিলেন। তাঁদের সেই সুযোগ না দেওয়ায় তাঁরা অভিযোগ দিয়েছেন।’

আবেদনকারী ইউপি সদস্য ও সদস্যরা হলেন  আজাহার আলী, সাজু মিয়া, ফরিদা বেগম, মোজাম্মেল হক, লাইফি বেগম, বুলু মিয়া ও মোরশেদা বেগম।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তারের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়