১৭ কার্তিক, ১৪৩৩ - ০১ নভেম্বর, ২০২৬ - 01 November, 2026

কুড়িগ্রামে জাহিদ হাসান বশির হত্যা মামলায় সব আসামিকে অন্তর্ভুক্ত করে পুনঃতদন্তের দাবি পরিবারের

58
2026-11-01 16:58:41

news-picture

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের মালভাঙ্গা কেকতির পাড় গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে বশির হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। মামলার চার্জশিট থেকে এজাহারের অধিকাংশ আসামির নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। রোববার নিহতের পিতা রফিকুল ইসলাম কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবে এসে এস অভিযোগ তুলে ন্যায় বিচারের দাবি জানান।

পরিবারের অভিযোগ, ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে আসাদুজ্জামান কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসাদ, আইয়ুব আলী, আব্দার আলী, আনার কলি, রুহানা বেগম, উমেদ আলী পিটিয়ে হত্যা করে  জাহিদুল ইসলাম জাহিদ হাসান ওরফে বশিরকে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং: ১০।

পরিবারের দাবি, পরবর্তী সময়ে মামলার চার্জশিটে এক নম্বর আসামি আসাদুজ্জামান আসাদ ছাড়া অন্যদের নাম রহস্যজনক কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পর থেকে আসামির লোকজন নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বাদিকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। চার্জশীট থেকে বাদ পড়া আসামীদের বিচারের দাবিতে পুনরায় তদন্তের আবেদন করেছেন আদালতে। তদন্ত যেন নিরপেক্ষ হয় এজন্য সাংবাদিকদের  মাধ্যমে পুলিশের নিকট দাবি জানান। অসহায় এ পরিবারটি ন্যায় বিচার চান।

আসামীদের পক্ষ থেকে নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা মোছা. জেলেকা বেগমকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

এ অবস্থায় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পুনঃতদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠা সব ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আসামী পক্ষের বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, সাক্ষ্য গ্রহণ ও তদন্ত শেষে যারা হত্যার সঙ্গে দায়ী তাদের বিচার হবে এবং কেউ যদি ভুক্তভোগী পরিবারকে কোনো প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এরকম কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। এছাড়া কোর্ট এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনা দিলে তা প্রতিপালন করা হবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়