কুড়িগ্রাম খাদ্য গুদামে দুদকের অভিযানের ৫ শত ২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাউল উধাওয়ের অভিযোগ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামে জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে দুনীর্তি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার জেলা শহরের নতুন রেল স্টেশন এলাকায় জেলা খাদ্য গুদামে দিনভর অভিযান চালিয়ে খাদ্যগুদামের ৮ টি গোডাউন পরিদর্শন করে ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৫ মেট্রিক টন চাল ঘার্তী পাওয়ার অভিযোগ পায় দুদক কর্মকর্তারা। এছাড়াও দুদকের এ টিম সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে অভিযান শুরু করে। এখানে চারটি গোডাউন তল্লাশি করে দেখছে দুদকের এ টিম। এ টিমের ধারণা এ গোডাউনেও খাদ্য শস্য ঘার্তী রয়েছে।
দুদক সুত্র জানায়, কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের নিকট নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ব্যবহার এবং ধান চাউল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্ণীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচারনা করে।
জেলা দুনীর্তি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো: সাবদারুর ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, ধান ও চাল ঘাটতি পাওয়া গোডাইন সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতি বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। আমরা
পরবর্তীতে আইনগত পদক্ষেপ নেবো। খাদ্য ঘার্তীর পাশাপাশি গুদামে খাবার অনুপোযোগী চালও গাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
তবে এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হককে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।