৪ মাঘ, ১৪৩২ - ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ - 17 January, 2026

কুড়িগ্রামে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের পরীক্ষায় নকলের মহোৎসব :একজন শিক্ষার্থী বহিষ্কার ও একজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

1 hour ago
16


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের দাসেরহাট এলাকায় অবস্থিত কুড়িগ্রাম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রথম,দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষায় ব্যাপক গণটোকাটুকির অভিযোগ পাওয়াগেছে । কলেজ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এরকম নকলের মহোৎসব চলছে বলে স্হানীয়দের অভিযোগ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা নকল করা ও বই খুলে পরীক্ষা দেয়ার ভিডিও ধারণ করলে কলেজ কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়তে হয়।

 ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রীনু বেগমের অনুমতিক্রমে পরীক্ষার হলরুমে গিয়ে দেখা যায়  ডিউটিরত শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রায় সকল পরীক্ষাথী বোর্ড বই ও নোট গাইড দেখে পরীক্ষার খাতায়  লিখতেছে।

এবিষয়ে ডিউটিরত শিক্ষক ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা:মোছা:রীনু বেগমকে অসদুপায় অবলম্বন বিষয় অবগত করা  হলেও শিক্ষাথীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে সাংবাদিকদের উপর চড়াও হোন ও গাঁ ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরে সাংবাদিকদের অভিযোগের পেয়ে  ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিক এসে অসদুপায় অবলম্বনের  দায়ে  প্রথম বর্ষের একজন শিক্ষাথীকে বহিষ্কার করেন যাহার রেজিযায়ষ্ট্রেশন নং:  ১২৪০৮৪। এছাড়া ঐ কক্ষে  ডিউটিরত দায়িত্বে থাকা শিক্ষক ডা: খগেন্দ্র  নাথ বর্মনকে পরীক্ষা দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

উক্ত পরীক্ষায় ৫ টি কক্ষে মোট পরীক্ষাথী ২ শত ৪৩ জন এর মধ্যে সকাল শিফটে ১ শত ৩৪ জন ও অবশিষ্ট সংখ্যাক পরীক্ষাথী বিকালে অংশগ্রহণ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিশ্বস্ত সুএে জানা যায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অসদুপায় অবলম্বন করার সুবিধা প্রদান করা হয়।

 অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী সরকার ও  তাঁর সহধর্মিণী বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  মোছা: রীনু বেগম প্রতিষ্ঠানটিকে দুনীতির স্বর্গরাজ্যে  পরিণত করেছেন।

এবিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রীনু বেগম জানান, আমি অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়ে কিছু জানি না। আমি নিজে প্রতিটি কক্ষ পরিদর্শন করেছি তখন কেউ নকল করেনি। পরে পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিকালের পরীক্ষায় পুরো সময় ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।

এবিষয়ে পরীক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নিতে প্রশাসন সব ব্যবস্হা নিয়েছে । ইতোমধ্যে একজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আগামীতে সকল পরীক্ষায় কঠোর ভাবে মনিটরিং করা হবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

// Set maxWidth