ফুলবাড়ীতে তীব্র ঠান্ডায় স্থবির জনজীবন,তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস
আঞ্চলিক প্রতিনিধি :
ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের সীমান্তঘষা জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার জনজীবন। এ উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়া। গত ২/৩দিনে সন্ধ্যার পর নামছে ঠান্ডসহ ঘন কুয়াশা। ফলে বিপর্যস্ত হেয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে-খাওয়াসহ দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেজন।
রোববার সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ অঞ্চলে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে শীত। দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উপজেলা জুড়ে শীতের দাপট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ধরলা ও বারোমাসিসহ বিভিন্ন নদনদীর চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। শীত যেন রুপ নিয়েছে গভীর মানবিক সংকটে। চরম বিপাকে পড়েছেন শিশু বৃদ্ধরা। প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে একটু মুক্তি পেতে বিভিন্ন এলাকায় শিশু -বৃদ্ধরা খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।
উপজেলার কবিরমামুদ গ্রামের ওবায়দুল হক, ধরলাপােেড়র সেকেন্দার, চন্দ্রখানার ময়েন উদ্দিন, পানিমাছকুটি গ্রামের বাবু মিয়া ও কুরুষাফেরুষা গ্রামের দিন মজুর আবুল হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায় জানান “ঠান্ডা এতো বেশী নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে খেতে কাজ করলে শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডায় হাত-পা কাঁপছে। ঠান্ডায় কাজতে পারছি না। এমন ঠান্ডা আর দেখিনি।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। “আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ হওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে”।